রাতে নিয়মমাফিক ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য আবশ্যক। পর্যাপ্ত ও পরিমাণমতো ঘুম দেহাবয়বে নিয়ে আসে একরাশ প্রশান্তি। ক্লান্তি-অবসাদ দূর হয়ে শরীর-সৌষ্ঠব হয়ে ওঠে সতেজ ও চনমনে। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমাদের রাতকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী’ (সুরা নাবা, আয়াত : ০৯)
আল্লাহ তাআলা রাতে ঘুমাতে আদেশ দিয়েছেন এবং দিনে আয়-উপার্জনের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেন, ‘রাতকে করেছি আবরণ, দিনকে করেছি জীবিকা উপার্জনের সময়।’ (সুরা নাবা, আয়াত : ১০-১১)
ঘুমানোর দোয়া
اللهم باسمك أموت وأحيا
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহ্ইয়া।’
আরও পড়ুন : ভালো চাকরি পেতে যে আমল করবেন
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আমি শয়ন করছি এবং তোমারই অনুগ্রহে আমি পুনরায় জাগ্রত হবো।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩২৪)
ঘুম আল্লাহর ইবাদত ও বড় নেয়ামত। কারণ, মুমিনের ছোট-বড় প্রতিটি কাজ ইবাদত হিসেবে গণ্য।
ঘুমানোর আগে-পরে দোয়া পড়া মুমিন-জীবনের অংশ। ঘুমের আগে আল্লাহর নাম না নেয়া কিংবা দোয়া না পড়া অনুচিত। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শোয়ার পর আল্লাহর নাম নেয় না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা নেমে আসবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৮৫৬)
ঢাকা ডেস্ক 















