০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৩০৯ বাংলাদেশি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • 143

লিবিয়ার ত্রিপলি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করা ৩০৯ অনিয়মিত বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসিত হয়েছেন। তারা শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ প্রত্যাবাসিত প্রবাসী মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের মধ্যে অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।

আরও পড়ুন : ৭ দিনের মধ্যে ঘোষিত হতে পারে ৪৯ বিশেষ বিসিএসের ফলাফল

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত নাগরিকদের স্বাগত জানান। এছাড়া, তারা তাদের অভিজ্ঞতা জনগণের সঙ্গে শেয়ার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যেক প্রত্যাবাসিত প্রবাসীকে খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহ করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৩০৯ বাংলাদেশি

সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

লিবিয়ার ত্রিপলি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করা ৩০৯ অনিয়মিত বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসিত হয়েছেন। তারা শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ প্রত্যাবাসিত প্রবাসী মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের মধ্যে অনেকেই অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হন।

আরও পড়ুন : ৭ দিনের মধ্যে ঘোষিত হতে পারে ৪৯ বিশেষ বিসিএসের ফলাফল

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রত্যাবাসিত নাগরিকদের স্বাগত জানান। এছাড়া, তারা তাদের অভিজ্ঞতা জনগণের সঙ্গে শেয়ার করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যেক প্রত্যাবাসিত প্রবাসীকে খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহ করেছে।