০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই ও জাপানের এক বিজ্ঞানী

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 102

চলতি বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড রামসডেল এবং জাপানের বিজ্ঞানী শিমন সাগাগুচি। মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোমে অবস্থিত ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট থেকে এবারের নোবেলজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শরীর নিজের উপাদান কিংবা ক্ষতিকর নয় এমন বহিরাগত উপাদানের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় প্রতিরোধ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকে। এই আবিষ্কার অটোইমিউন রোগসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

আরও পড়ুন : গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১১৫২ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

নোবেল কমিটির তথ্যমতে, তিন বিজ্ঞানী যৌথভাবে পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা সমমূল্যের পুরস্কার অর্থ)। একাধিক বিজয়ী থাকায় এই অর্থ সমানভাবে ভাগ হয়ে যাবে।

প্রতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, আর পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পুরস্কার ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।

এই তিন গবেষকের কাজ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগপ্রতিরোধ ও ইমিউন থেরাপির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই ও জাপানের এক বিজ্ঞানী

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

চলতি বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক মেরি ব্রাঙ্কো ও ফ্রেড রামসডেল এবং জাপানের বিজ্ঞানী শিমন সাগাগুচি। মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোমে অবস্থিত ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট থেকে এবারের নোবেলজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শরীর নিজের উপাদান কিংবা ক্ষতিকর নয় এমন বহিরাগত উপাদানের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় প্রতিরোধ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকে। এই আবিষ্কার অটোইমিউন রোগসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

আরও পড়ুন : গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১১৫২ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

নোবেল কমিটির তথ্যমতে, তিন বিজ্ঞানী যৌথভাবে পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা সমমূল্যের পুরস্কার অর্থ)। একাধিক বিজয়ী থাকায় এই অর্থ সমানভাবে ভাগ হয়ে যাবে।

প্রতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা করে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, আর পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পুরস্কার ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।

এই তিন গবেষকের কাজ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোগপ্রতিরোধ ও ইমিউন থেরাপির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।