ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কুমার শানুকে ঘিরে ফের নতুন বিতর্ক। কোটি ভক্তের প্রিয় এই গায়ক এবার আলোচনায় এসেছেন প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের অভিযোগকে ঘিরে। রীতা জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থায় তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, এমনকি সঠিকভাবে খাবারও পাননি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে রীতা জানান, বিয়ের পর থেকেই তার চলাফেরা ও স্বাধীনতায় নানা বাধা তৈরি করা হতো। বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা বা সামান্য সাজগোজও নাকি ছিল নিষিদ্ধ। গর্ভাবস্থায় এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তার ভাষায়,
‘ওরা যখন বাইরে যেত, রান্নাঘরে তালা দিয়ে দিত। তখন আমি ভাত খাওয়ার জন্য বৌদির কাছে যেতাম। নিজেই চাল কিনে লুকিয়ে রাখতাম, পরে ওখানেই রান্না করে খেতাম। তৃতীয় সন্তানের সময় ঠিকমতো খেতে না পেরে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়তাম।’
আরও পড়ুন : ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন, প্রস্তুত সরকার: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস
রীতা অভিযোগ করেন, সে সময় কুমার শানুর একাধিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে তাকে বারবার আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছিল।
‘আশিকি’ চলচ্চিত্রের বিপুল সাফল্যের পর কুমার শানুর ক্যারিয়ার দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায়। রীতার দাবি, জনপ্রিয়তা ও আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শানুর আচরণও নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।
কুমার শানু ও রীতার বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। তাদের সংসারে তিন সন্তান জন্ম নেয়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ১৯৯৪ সালে বিচ্ছেদ হয় এই দম্পতির।
ঢাকা ডেস্ক 









