নবীজি হযরত মুহাম্মদ (স:) এর জীবন আদর্শ মেনে জীবন পরিচালনা করলে সবকিছু ইবাদতে পরিণত হয়। মুসলিমদের কাছে সুন্নাহ্ হল মুহাম্মাদ (সাঃ) দ্বারা নির্দেশিত জীবনব্যবস্থা। মুসলিমগণ বিশ্বাস করে থাকেন যে, রাসুলুল্লাহর জীবন হল সর্বোত্তম আদর্শ।
প্রাকৃতিক কাজকর্মের জন্য বাথরুমে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে দোয়া পাঠ করার শিক্ষা দিয়েছেন প্রিয়নবী (স.)। আলেমগণ বলেছেন, এর মাধ্যমে একইসঙ্গে সুন্নত পালন করা হয়, আবার শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও বিভিন্ন প্রকার অনিষ্ট থেকেও হেফাজত থাকা যায়। নবীজির শেখানো এ সংক্রান্ত দোয়া দুটি নিচে উল্লেখ করা হলো।
বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া
বাথরুমে প্রবেশ করার দোয়া: اللهُمَّ إِنّيْ أَعًوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَ الْخَبَائِثِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবছি ওয়াল খাবায়িছ।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে পুরুষ ও নারী শয়তানের অনিষ্ট তথা ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।’ (বুখারি: ৬৩২২)
আরও পড়ুন : শত্রু দমনের দোয়া
বাথরুম থেকে বের হওয়ার দোয়া
الْحَمْدُ لِلهِ الَّذِيْ اَذْهَبَ عَنِّيْ الْاَذَى وَعَافَانِيْ
উচ্চারণ : ‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া আফানি।’
অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার কাছ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু বের করে দিয়েছেন এবং আমাকে নিরাপদ করেছেন। (ইবনে মাজাহ: ২৯৭)
টয়লেটে যাওয়ার আগে দোয়া
اَللَّهُمَّ اِ نِّىْ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবছি ওয়াল খাবায়িছ।
অর্থ : হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে পুরুষ ও নারী শয়তানের অনিষ্ট তথা ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।
অথবা, بِسْمِ اللهِ
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহ।
অর্থ : আল্লাহর নামে।
রিপোর্টার 















