০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাকসু নির্বাচন নিয়ে সিইসির চ্যালেঞ্জ: “কারচুপির প্রমাণ মিললে পদত্যাগ করব”

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 107

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে কারচুপি বা জাল ভোটের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা হলে হলে কয়েক ধাপে ভোটারদের যাচাই করে ভোটগ্রহণ করেছি। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং অফিসাররা দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সিসি ক্যামেরায় নজরদারিতে ছিল এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে সরাসরি প্রদর্শিত হয়েছে। সবার সামনে ভোট হয়েছে। কেউই সরাসরি কোনো অনিয়মের অভিযোগ তুলেনি।”

আরও পড়ুন : চুইংগাম: স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নাকি ক্ষতিকর?

তিনি আরও জানান, কিছু প্রার্থীর দাবির কারণে ম্যানুয়ালি ভোট গণনা করতে হয়েছে, যা ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটায়। তবে যারা প্রক্রিয়ার শুরু থেকে যুক্ত ছিলেন, তাদের কেউ কেউ পরে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মনিরুজ্জামান বলেন, “ভোট গণনায় একাধিক শিক্ষক যুক্ত আছেন। সবকিছু সাংবাদিকদের সামনেই হচ্ছে। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে ভোট কারচুপি হয়েছে, তাহলে আমি অবিলম্বে চাকরি ছাড়ব, এমনকি পেনশনের টাকাও নেব না।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দাবি, ভোটগ্রহণ ছিল স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু, আর অভিযোগগুলো কেবল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

জাকসু নির্বাচন নিয়ে সিইসির চ্যালেঞ্জ: “কারচুপির প্রমাণ মিললে পদত্যাগ করব”

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে কারচুপি বা জাল ভোটের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা হলে হলে কয়েক ধাপে ভোটারদের যাচাই করে ভোটগ্রহণ করেছি। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পোলিং অফিসাররা দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সিসি ক্যামেরায় নজরদারিতে ছিল এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে সরাসরি প্রদর্শিত হয়েছে। সবার সামনে ভোট হয়েছে। কেউই সরাসরি কোনো অনিয়মের অভিযোগ তুলেনি।”

আরও পড়ুন : চুইংগাম: স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নাকি ক্ষতিকর?

তিনি আরও জানান, কিছু প্রার্থীর দাবির কারণে ম্যানুয়ালি ভোট গণনা করতে হয়েছে, যা ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটায়। তবে যারা প্রক্রিয়ার শুরু থেকে যুক্ত ছিলেন, তাদের কেউ কেউ পরে দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মনিরুজ্জামান বলেন, “ভোট গণনায় একাধিক শিক্ষক যুক্ত আছেন। সবকিছু সাংবাদিকদের সামনেই হচ্ছে। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে ভোট কারচুপি হয়েছে, তাহলে আমি অবিলম্বে চাকরি ছাড়ব, এমনকি পেনশনের টাকাও নেব না।”

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দাবি, ভোটগ্রহণ ছিল স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু, আর অভিযোগগুলো কেবল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল।