দুধ-ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকায় চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। স্বাস্থ্যসচেতন যেকোনও মানুষের কাছে এই খাবারটা এখন বেশ জনপ্রিয়।
পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিডে রয়েছে ডিমের চেয়ে ৩ গুণ প্রোটিন, দুধের চেয়ে ৫ গুণ ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ ভিটামিন সি, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ আয়রন, কলার দ্বিগুণ পটাশিয়াম।
শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, ক্যাফিক অ্যাসিড),ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ।
মোট কথায় স্বাস্থ্যের উপকারিতায় এই চিয়া সিড একটি আদর্শ প্যাকেজ।
জেনে নিই চিয়া সিডের উপকারিতাঃ
. অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায়।
. মেটাবলিজম উন্নত করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।
. ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাস করে।
. ওমেগা-৩ থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
. কোলন পরিষ্কার রাখে, কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে।
. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
চিয়া সিডের যেমন অনেক উপকারিতা আছে ঠিক তেমনি নিয়ম না মেনে খেলে এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও আছে।
চলুন তা জেনে নেইঃ
. কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত খেলে প্রোস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
. বেশি খেলে হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।
. অতিরিক্ত গ্রহণে অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস পেতে পারে।
খাওয়ার নিয়ম
. স্বাভাবিক বা কুসুম গরম পানিতে ২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে খেতে হবে।
.সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া যায়।
ঢাকা ডেস্ক 















