২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফল একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পারবেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ফল প্রকাশের পর থেকে ওয়েবসাইটে একযোগে অধিক সংখ্যক প্রবেশের কারণে সাময়িক ডাউন থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই ওয়েবসাইট স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন : এসএসসি ও সমমানের পুনর্নিরীক্ষণের ফল দেখবেন যেভাবে
ফলাফল দেখতে পারবেন নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলো থেকে:
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড: www.dhakaeducationboard.gov.bd
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড: www.comillaboard.gov.bd
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড: www.bise-ctg.gov.bd
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড: www.rajshahiboard.gov.bd
যশোর শিক্ষা বোর্ড: www.jessoreboard.gov.bd
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: www.barisalboard.gov.bd
সিলেট শিক্ষা বোর্ড: www.sylhetboard.gov.bd
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড: www.dinajpureducationboard.gov.bd
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড: www.mymensingheducationboard.gov.bd
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড: www.bmeb.gov.bd
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: www.bteb.gov.bd
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, এবার ৯২ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৬৪টি খাতার পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২১ হাজার এবং খাতার সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার বেশি।
সর্বোচ্চ আবেদন এসেছে গণিত বিষয়ে—৪২ হাজার ৯৩৬টি খাতা, এরপর ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে ১৯ হাজার ৬৮৮টি করে, পদার্থবিজ্ঞানে ১৬ হাজার ২৩৩টি এবং বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে ১৩ হাজার ৫৫৮টি খাতার পুনঃনিরীক্ষণ হয়েছে। সবচেয়ে কম আবেদন হয়েছে চারু ও কারুকলা বিষয়ে, মাত্র ৬টি খাতায়।
পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় কেবল নম্বর সঠিকভাবে যোগ হয়েছে কিনা, কোনো প্রশ্ন বাদ পড়েছে কিনা, এবং ওএমআর শিটে নম্বর সঠিকভাবে উঠেছে কিনা তা যাচাই করা হয়; খাতার নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় না।
শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে ৬ লাখ ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭১৬ জন ছাত্র এবং ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪৪ জন ছাত্রী রয়েছে।
ঢাকা ডেস্ক 









