০১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বান্দরবানে সারজিসসহ এনসিপিকে অবাঞ্ছিতের হুঁশিয়ারি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • 51

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের বিরুদ্ধে পার্বত্য অঞ্চলের প্রতি চরম অবমাননার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় ছাত্র সংগঠন। সারজিস ক্ষমা না চাইলে বান্দরবানে সারজিসসহ এনসিপিকে ম্পূর্ণভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে তারা।

সারজিস বান্দরবানকে ‘শাস্তিস্বরূপ চাঁদাবাজদের পাঠানোর জায়গা’ বলে মন্তব্য করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে।

তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ছাত্র সংগঠন।

রোববার (২০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বান্দরবান প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘বান্দরবান ছাত্রসমাজ’ ব্যানারে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সারজিস আলমের বক্তব্যকে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি ‘চরম অবমাননাকর ও বৈষম্যমূলক’ বলে আখ্যায়িত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র সমাজের নেতারা বলেন, ছাত্র সমাজ, সারজিসের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। বান্দরবান কোনো বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল নয়-এটি জাতিগত, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ এক জনপদ।

আরও পড়ুন : ফের মদ্যপ অবস্থায় আটক নোবেল

এখানকার মানুষ শান্তিপ্রিয়, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও অধিকার সচেতন। এই জেলার মর্যাদাকে অপরাধীদের শাস্তির স্থান হিসেবে উল্লেখ করা মানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে অপমান করা।

সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি আসিফ ইকবাল বলেন, গত ৩ জুলাই পঞ্চগড়ে ‘জুলাই পদযাত্রা’ চলাকালে সারজিস আলম বলেন, বান্দরবান হচ্ছে ‘শাস্তির জায়গা’, যেখানে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়।

একজন জাতীয় পর্যায়ের নেতার মুখে এমন মন্তব্য শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং চরম নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সম্মানকে অপমান করার নামান্তর।

তিনি বলেন, এ ধরনের কটূক্তি গোটা পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আত্মমর্যাদাকে আঘাত করেছে। অবিলম্বে সারজিস আলমকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় এনসিপিকে বান্দরবানে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

বান্দরবানে সারজিসসহ এনসিপিকে অবাঞ্ছিতের হুঁশিয়ারি

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের বিরুদ্ধে পার্বত্য অঞ্চলের প্রতি চরম অবমাননার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় ছাত্র সংগঠন। সারজিস ক্ষমা না চাইলে বান্দরবানে সারজিসসহ এনসিপিকে ম্পূর্ণভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে তারা।

সারজিস বান্দরবানকে ‘শাস্তিস্বরূপ চাঁদাবাজদের পাঠানোর জায়গা’ বলে মন্তব্য করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে।

তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ছাত্র সংগঠন।

রোববার (২০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বান্দরবান প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ‘বান্দরবান ছাত্রসমাজ’ ব্যানারে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সারজিস আলমের বক্তব্যকে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতি ‘চরম অবমাননাকর ও বৈষম্যমূলক’ বলে আখ্যায়িত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র সমাজের নেতারা বলেন, ছাত্র সমাজ, সারজিসের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। বান্দরবান কোনো বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল নয়-এটি জাতিগত, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ এক জনপদ।

আরও পড়ুন : ফের মদ্যপ অবস্থায় আটক নোবেল

এখানকার মানুষ শান্তিপ্রিয়, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও অধিকার সচেতন। এই জেলার মর্যাদাকে অপরাধীদের শাস্তির স্থান হিসেবে উল্লেখ করা মানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে অপমান করা।

সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি আসিফ ইকবাল বলেন, গত ৩ জুলাই পঞ্চগড়ে ‘জুলাই পদযাত্রা’ চলাকালে সারজিস আলম বলেন, বান্দরবান হচ্ছে ‘শাস্তির জায়গা’, যেখানে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়।

একজন জাতীয় পর্যায়ের নেতার মুখে এমন মন্তব্য শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং চরম নিন্দনীয় ও ঘৃণ্য। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সম্মানকে অপমান করার নামান্তর।

তিনি বলেন, এ ধরনের কটূক্তি গোটা পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আত্মমর্যাদাকে আঘাত করেছে। অবিলম্বে সারজিস আলমকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় এনসিপিকে বান্দরবানে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।