০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গোপালগঞ্জের সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:২৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • 69

গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‍জনসাধারণকে গুজবে কান না দিয়ে ধৈর্য ধরার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে একটি রাজনৈতিক দলের আহ্বানে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। এতে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন।

এছাড়া সরকারি দপ্তর, যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হলে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসন তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে এবং সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন : গোপালগঞ্জের ঘটনা এত বড় হবে, সে তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে ছিল না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়,“সমাবেশ চলাকালে মঞ্চে পুনরায় হামলা এবং জেলা কারাগারে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করতে মাইকিং করলেও উচ্ছৃঙ্খল জনতা ককটেল ও ইট-পাটকেল ছুড়ে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।”

পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের খুলনায় স্থানান্তর করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়,“গোপালগঞ্জে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রশাসন ঘোষিত কারফিউ এখনও কার্যকর। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করছে।”

সেনাবাহিনী সকলকে গুজবে কান না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভূমিকা রাখতে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে সহায়তা করতে আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে বলা হয়,“বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের ধৈর্য ও সহযোগিতাই আমাদের বড় শক্তি।”

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গোপালগঞ্জের সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:২৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‍জনসাধারণকে গুজবে কান না দিয়ে ধৈর্য ধরার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে একটি রাজনৈতিক দলের আহ্বানে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল জনতা শহরের বিভিন্ন এলাকায় সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। এতে পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ কয়েকজন আহত হন।

এছাড়া সরকারি দপ্তর, যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হলে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসন তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে এবং সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন : গোপালগঞ্জের ঘটনা এত বড় হবে, সে তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে ছিল না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়,“সমাবেশ চলাকালে মঞ্চে পুনরায় হামলা এবং জেলা কারাগারে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করতে মাইকিং করলেও উচ্ছৃঙ্খল জনতা ককটেল ও ইট-পাটকেল ছুড়ে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।”

পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ যৌথভাবে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের খুলনায় স্থানান্তর করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়,“গোপালগঞ্জে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রশাসন ঘোষিত কারফিউ এখনও কার্যকর। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও প্রশাসনের অন্যান্য সংস্থাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করছে।”

সেনাবাহিনী সকলকে গুজবে কান না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভূমিকা রাখতে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজে সহায়তা করতে আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে বলা হয়,“বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের ধৈর্য ও সহযোগিতাই আমাদের বড় শক্তি।”