০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানে ভয়াবহ বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • 70

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬৩ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৯০ জন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে ঘরবাড়ি ধসে, বাকিরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ও বন্যার পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন। পাঞ্জাবের চাকওয়াল শহরে ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি।

আরও পড়ুন : ইরাকের শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ৬০

রাজধানী ইসলামাবাদের পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে পৌঁছানোর ফলে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ বেশ কয়েকটি জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তার ভাষ্য, সরকার সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার, নৌকা ও উদ্ধারকারী দল দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছে।

অধিকাংশ শহরে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ। বাতিল হয়েছে বহু ফ্লাইট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রশাসনের আশঙ্কা, সাপ্তাহিক ছুটির পুরো সময়জুড়েই বন্যা ও অতিবৃষ্টির ঝুঁকি থাকবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশগুলোর একটি পাকিস্তান। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল, মারা যান ১,৭০০ জন, এবং আর্থিক ক্ষতি হয় ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পাকিস্তানে ভয়াবহ বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৬৩ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২৯০ জন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে ঘরবাড়ি ধসে, বাকিরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ও বন্যার পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন। পাঞ্জাবের চাকওয়াল শহরে ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বেশি।

আরও পড়ুন : ইরাকের শপিং মলে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ৬০

রাজধানী ইসলামাবাদের পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে পৌঁছানোর ফলে আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ বেশ কয়েকটি জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তার ভাষ্য, সরকার সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার, নৌকা ও উদ্ধারকারী দল দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছে।

অধিকাংশ শহরে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, এক্সপ্রেসওয়ে বন্ধ। বাতিল হয়েছে বহু ফ্লাইট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রশাসনের আশঙ্কা, সাপ্তাহিক ছুটির পুরো সময়জুড়েই বন্যা ও অতিবৃষ্টির ঝুঁকি থাকবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশগুলোর একটি পাকিস্তান। ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল, মারা যান ১,৭০০ জন, এবং আর্থিক ক্ষতি হয় ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।