বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট প্রতারণার শিকার হয়েছেন নিজেরই প্রাক্তন ব্যক্তিগত সহকারীর হাতে। দু’বছর ধরে গোপনে অভিনেত্রীর সই নকল করে প্রায় ৭৬.৯ লাখ ভারতীয় রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেছেন ভেদিকা শেট্টি নামের ওই সহকারী।
মুম্বই পুলিশ জানায়, জুহু থানার এক মামলায় ভেদিকাকে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী ধারা ৩১৬(৪) ও ৩১৮(৪) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও পলাতক থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২১ সাল থেকে আলিয়া ভাটের সঙ্গে কাজ করছিলেন ভেদিকা শেট্টি। একজন ব্যক্তিগত সহকারীর মতো তিনি অভিনেত্রীর আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য, সময়সূচি ও প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। এই আস্থার সুযোগ নিয়েই তিনি নকল সই করে বিভিন্ন সময়ে টাকা আত্মসাৎ করেন।
আরও পড়ুন : ফ্ল্যাট থেকে অভিনেত্রী হুমাইরার মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে তিনি আলিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে গোপনে সরিয়ে নিয়েছেন প্রায় ৭৭ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
আলিয়ার মা ও প্রবীণ অভিনেত্রী সোনি রাজদান এই প্রতারণার বিষয়টি প্রথম টের পান এবং তার ভিত্তিতেই জুহু থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। এরপরই শুরু হয় পুলিশি তদন্ত।
পাঁচ মাস ধরে চলা তদন্ত শেষে অবশেষে অভিযুক্ত ভেদিকা শেট্টিকে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আলিয়ার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সূত্রের খবর, অভিনেত্রী মর্মাহত এবং হতবাক হয়েছেন তার এত কাছের একজন মানুষের এমন বিশ্বাসঘাতকতায়।
ঢাকা ডেস্ক 









