ঘরে তৈরি এ ফেস টোনার প্রাকৃতিকভাবে তৈরি করা হয়। যা ত্বককে হাইড্রেটেড, উজ্জ্বল রাখতে পারে। সম পরিমাণ অ্যালোভেরার নির্যাস ও গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণে ত্বক হাইড্রেট হয়। লালভাব, চুলকানি দূর হতে পারে। ত্বকে pH ব্যালেন্স বজায় থাকে। দিনভর ত্বক ফ্রেশ থাকে।
গ্রিন টি জলে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর তাতে মেশাতে হবে মধু। এই মিশ্রণও টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর গ্রিন ত্বকের পক্ষে উপযোগী। মধু মেশানোর ফলে ত্বক থাকে ময়শ্চারাইজ।
অর্ধেক শসা কেটে তা জুস করে নিতে হবে। এরপর ওই রসে মেশাতে হবে পাতিলেবুর রস। ঠান্ডা হওয়ার কারণে শসা ত্বকে আরাম দেয়। পাতিলেবু ত্বক টানটান রাখতে পারে। একইসঙ্গে ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল নির্গমনে বাধা দেয়।
এক চামচ অ্যাপল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে দু চামচ জল জল মেশাতে হবে। ত্বকে pH ব্যালেন্স বজায় রাখে অ্যাপল সিডার ভিনিগার। এই টোনার তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এর ফলে অতিরিক্ত তেল বেরোয় না। ব্রণ হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
আরো পড়ুন: মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন? সমাধানে মেনে চলুন ৫ পরামর্শ
রোজমেরির সঙ্গে মিশিয়ে নিন পুদিনা পাতা। ভাল করে জলে ফুটিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে ব্যবহার করতে হবে ওই জল। এতে ত্বক হয় ঠান্ডা। পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালনা বাড়ে। ত্বকের চুলকানি কমাতে পারে।
টক দই এবং হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে টোনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। দইয়ে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড। যা এক্সফোলিয়েট করে এবং হাইড্রেট রাকে ত্বক। একইসঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল করতে পারে।
মধু এবং পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। তাতে দিতে হবে অর্ধেক কাপ জল। এরপর ওই মিশ্রণ তুলোতে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করতে হবে। এতে ব্রণ কমবে। ত্বক হাইড্রেট এবং উজ্জ্বল হবে।
এক চামচ নারকেলের জল এবং গোলাপ জল মেশাতে হবে। এতে ত্বকে জলের ভারসাম্য বজায় থাকে। ত্বক উজ্জ্বল হতে পারে। দিনভর ফ্রেশ অনুভব হয়।
পাকা পেঁপে পাল্প নিতে হবে অর্ধেক কাপ, তাতে মেশাতে হবে এক চামচ মধু। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম থাকে যা ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে সাহায্য করে, অন্যদিকে মধু ত্বককে হাইড্রেটেড এবং নরম রাখে।
ঢাকা ডেস্ক 















