০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানের বিমান হামলায় কান্দাহারে নিহত ৪০ জন

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • 93

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের সীমান্তবর্তী শহর স্পিন বোলদাকে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত এবং আরও প্রায় ১৮০ জন আহত হয়েছেন।

আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই সাধারণ মানুষ— যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। স্থানীয় প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করিমুল্লাহ জুবাইর আগা জানিয়েছেন, হামলায় বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সীমান্ত অঞ্চলে গত ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সংঘর্ষের পর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, যা শেষ হয় শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর এ হামলা ঘটে, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন : জুলাই সনদে স্বাক্ষর, গণতন্ত্রের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া এক স্থানীয় বাসিন্দা হাজি বাহরাম বলেন, “আমি জীবনে এত ভয়াবহ অন্যায় দেখিনি। যারা নিজেদের মুসলিম দেশ বলে দাবি করে, তারা নারী ও শিশুদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।”

এই ঘটনার পর আফগান সরকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সীমান্তে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডকে “বেসামরিক জীবনের ওপর সরাসরি আঘাত” বলে উল্লেখ করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পাকিস্তানের বিমান হামলায় কান্দাহারে নিহত ৪০ জন

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের সীমান্তবর্তী শহর স্পিন বোলদাকে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত এবং আরও প্রায় ১৮০ জন আহত হয়েছেন।

আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই সাধারণ মানুষ— যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। স্থানীয় প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করিমুল্লাহ জুবাইর আগা জানিয়েছেন, হামলায় বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সীমান্ত অঞ্চলে গত ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা সংঘর্ষের পর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, যা শেষ হয় শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর এ হামলা ঘটে, যা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন : জুলাই সনদে স্বাক্ষর, গণতন্ত্রের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া এক স্থানীয় বাসিন্দা হাজি বাহরাম বলেন, “আমি জীবনে এত ভয়াবহ অন্যায় দেখিনি। যারা নিজেদের মুসলিম দেশ বলে দাবি করে, তারা নারী ও শিশুদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।”

এই ঘটনার পর আফগান সরকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সীমান্তে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডকে “বেসামরিক জীবনের ওপর সরাসরি আঘাত” বলে উল্লেখ করেছে।