সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জানুয়ারি থেকে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই কাজ চলছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের শুরুতেই (জানুয়ারি/মার্চ/এপ্রিল) নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে। এর জন্য চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে, সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গত ২৭ জুলাই গঠিত হয় জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫। সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানকে সভাপতি করে গঠিত এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : কুড়িগ্রামে চার সন্তানকে এতিম করে বজ্রপাতে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
কমিশন ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মতামত সংগ্রহে একটি অনলাইন প্রশ্নমালা উন্মুক্ত করেছে। আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত যে কেউ অনলাইনে মতামত জানাতে পারবেন। প্রশ্নমালায় কার্যকর ও ন্যায্য বেতন কাঠামো প্রণয়নে সহায়ক চারটি প্রশ্ন রাখা হয়েছে।
বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনে সর্বোচ্চ (গ্রেড-১) ও সর্বনিম্ন (গ্রেড-২০) স্তরের অনুপাত প্রায় ১০:১। কমিশনের আলোচনায় এসেছে, নতুন কাঠামোয় এই অনুপাত ৮:১ থেকে ১০:১-এর মধ্যে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১২ থেকে ১৫টির মধ্যে সীমিত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
অর্থ উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই নতুন পে স্কেল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এজন্য পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের জন্য অপেক্ষা করা হবে না।”
এদিকে, কমিশনের প্রাথমিক প্রস্তাবে চিকিৎসা ও শিক্ষা ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে মাসিক ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা থাকলেও এটি বাড়ানোর পাশাপাশি অবসরোত্তর সুবিধা যোগ করার বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। সন্তানদের শিক্ষা ভাতাতেও বাড়তি সুবিধা যুক্ত হতে পারে।
ঢাকা ডেস্ক 









