০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নারী নেতৃত্ব চাইছে নেপালের জেন-জি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 87

বিক্ষোভ-সহিংসতার মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করার পর নেপালে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। এ সংকটে নেতৃত্বের দাবি জানাতে এগিয়ে এসেছে বিক্ষোভে অগ্রণী ভূমিকা রাখা তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন-জি।

প্রথমদিকে আন্দোলনকারীরা কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দেখতে চাইছিল। তবে শাহ তাদের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে প্রায় পাঁচ হাজার তরুণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অধিকাংশ তরুণ সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নাম সমর্থন করেন।

আরও পড়ুন : ছাত্র ইউনিয়নের লুঙ্গির তলে কারা, বললেন পিনাকী

আলোচনায় আরও কয়েকটি নাম উঠে আসে— বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের প্রধান কুলমান ঘিসিং, তরুণ রাজনৈতিক কর্মী সাগর ঢাকাল ও ধারানের মেয়র হার্কা সামপাং। এমনকি জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘র‌্যান্ডম নেপালি’-র নামও কয়েকজন প্রস্তাব করেছিলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, অন্যরা দায়িত্ব না নিলে কেবল তখনই তিনি আগ্রহী হবেন।

তরুণদের প্রস্তাবিত প্রধানমন্ত্রীর পদে সুশীলা কার্কির নাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে বাস্তবে দায়িত্ব নিতে হলে তাকে প্রথমে সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে তবেই অন্তর্বর্তী নেতৃত্বে আসা সম্ভব হবে।

অলির পদত্যাগের পর থেকেই দেশজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিক্ষুব্ধরা পার্লামেন্ট, সুপ্রিম কোর্টসহ বিভিন্ন সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়, যেখানে আগুনে তার স্ত্রী প্রাণ হারান। এ পর্যন্ত এ আন্দোলনে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নারী নেতৃত্ব চাইছে নেপালের জেন-জি

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিক্ষোভ-সহিংসতার মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করার পর নেপালে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে। এ সংকটে নেতৃত্বের দাবি জানাতে এগিয়ে এসেছে বিক্ষোভে অগ্রণী ভূমিকা রাখা তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন-জি।

প্রথমদিকে আন্দোলনকারীরা কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দেখতে চাইছিল। তবে শাহ তাদের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে প্রায় পাঁচ হাজার তরুণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অধিকাংশ তরুণ সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নাম সমর্থন করেন।

আরও পড়ুন : ছাত্র ইউনিয়নের লুঙ্গির তলে কারা, বললেন পিনাকী

আলোচনায় আরও কয়েকটি নাম উঠে আসে— বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের প্রধান কুলমান ঘিসিং, তরুণ রাজনৈতিক কর্মী সাগর ঢাকাল ও ধারানের মেয়র হার্কা সামপাং। এমনকি জনপ্রিয় ইউটিউবার ‘র‌্যান্ডম নেপালি’-র নামও কয়েকজন প্রস্তাব করেছিলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, অন্যরা দায়িত্ব না নিলে কেবল তখনই তিনি আগ্রহী হবেন।

তরুণদের প্রস্তাবিত প্রধানমন্ত্রীর পদে সুশীলা কার্কির নাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে বাস্তবে দায়িত্ব নিতে হলে তাকে প্রথমে সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে তবেই অন্তর্বর্তী নেতৃত্বে আসা সম্ভব হবে।

অলির পদত্যাগের পর থেকেই দেশজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিক্ষুব্ধরা পার্লামেন্ট, সুপ্রিম কোর্টসহ বিভিন্ন সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগ করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতেও হামলা চালানো হয়, যেখানে আগুনে তার স্ত্রী প্রাণ হারান। এ পর্যন্ত এ আন্দোলনে অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন।