০১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চিয়া সিড স্বাস্থ্যের জন্য এক অনন্য খাবার

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 72

ছবি : সংগৃহীত

দুধ-ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকায় চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। স্বাস্থ্যসচেতন যেকোনও মানুষের কাছে এই খাবারটা এখন বেশ জনপ্রিয়।

 

পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিডে রয়েছে ডিমের চেয়ে ৩ গুণ প্রোটিন, দুধের চেয়ে ৫ গুণ ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ ভিটামিন সি, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ আয়রন, কলার দ্বিগুণ পটাশিয়াম।

 

শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, ক্যাফিক অ্যাসিড),ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ।

 

মোট কথায় স্বাস্থ্যের উপকারিতায় এই চিয়া সিড একটি আদর্শ প্যাকেজ।

 

আরও পড়ুন : আজকের আবহাওয়া

 

জেনে নিই চিয়া সিডের উপকারিতাঃ

 

. অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায়।

 

. মেটাবলিজম উন্নত করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

 

. ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাস করে।

 

. ওমেগা-৩ থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

 

. কোলন পরিষ্কার রাখে, কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

 

. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

 

. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

চিয়া সিডের যেমন অনেক উপকারিতা আছে ঠিক তেমনি নিয়ম না মেনে খেলে এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও আছে।

 

চলুন তা জেনে নেইঃ

 

. কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত খেলে প্রোস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

 

. বেশি খেলে হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।

 

. অতিরিক্ত গ্রহণে অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস পেতে পারে।

 

খাওয়ার নিয়ম

 

. স্বাভাবিক বা কুসুম গরম পানিতে ২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে খেতে হবে।

 

.সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া যায়।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চিয়া সিড স্বাস্থ্যের জন্য এক অনন্য খাবার

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দুধ-ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকায় চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। স্বাস্থ্যসচেতন যেকোনও মানুষের কাছে এই খাবারটা এখন বেশ জনপ্রিয়।

 

পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিডে রয়েছে ডিমের চেয়ে ৩ গুণ প্রোটিন, দুধের চেয়ে ৫ গুণ ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ ভিটামিন সি, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ আয়রন, কলার দ্বিগুণ পটাশিয়াম।

 

শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, ক্যাফিক অ্যাসিড),ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ।

 

মোট কথায় স্বাস্থ্যের উপকারিতায় এই চিয়া সিড একটি আদর্শ প্যাকেজ।

 

আরও পড়ুন : আজকের আবহাওয়া

 

জেনে নিই চিয়া সিডের উপকারিতাঃ

 

. অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায়।

 

. মেটাবলিজম উন্নত করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

 

. ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাস করে।

 

. ওমেগা-৩ থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

 

. কোলন পরিষ্কার রাখে, কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

 

. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

 

. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

চিয়া সিডের যেমন অনেক উপকারিতা আছে ঠিক তেমনি নিয়ম না মেনে খেলে এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও আছে।

 

চলুন তা জেনে নেইঃ

 

. কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত খেলে প্রোস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

 

. বেশি খেলে হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।

 

. অতিরিক্ত গ্রহণে অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস পেতে পারে।

 

খাওয়ার নিয়ম

 

. স্বাভাবিক বা কুসুম গরম পানিতে ২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে খেতে হবে।

 

.সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া যায়।