১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চুলে কালার করছেন,ডেকে আনছেন বড় বিপদ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • 97

অনেকেই নিয়মিত চুলে কালার করেন। আবার কেউ কেউ ট্রেন্ড মেনে চুলে রঙ করেন। কিন্তু এই অভ্যাস যে চুলের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে, তা অনেকেই জানেন না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেয়ার কালারে থাকা রাসায়নিক উপাদান শুধু চুলকেই দুর্বল করে না, মাথার ত্বকেও নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

 

চুলে কালার করলে কী কী ক্ষতি হয়?

চুল ভেঙে যাওয়া: অধিকাংশ হেয়ার কালারে অ্যামোনিয়া ও হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের মতো তীব্র রাসায়নিক থাকে। এগুলো মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয়। ফলে চুল দ্রুত দুর্বল হয়ে ভেঙে যায়।

চুল পাতলা হয়ে যাওয়া: অ্যামোনিয়া জাতীয় উপাদান চুলের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও তেল শুষে নিয়ে গোড়া থেকে চুল পাতলা করে ফেলে। এতে ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়ে।

মাথার ত্বকে জ্বালা: অনেকের ক্ষেত্রে রঙ করার পর মাথার ত্বকে চুলকানি, অ্যালার্জি কিংবা জ্বালাভাব দেখা দেয়। এ ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে বুঝতে হবে চুল ও ত্বক হেয়ার ডাই সহ্য করছে না।

স্টাইলিংয়ের সমস্যা: নিয়মিত কালার করার ফলে চুল পাতলা ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। এতে হেয়ার স্টাইলিং করাও কঠিন হয়ে যায়। অতিরিক্ত স্টাইলিং করলে ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়ে।

 

আরও পড়ুন : মালাইকাকে বুড়ি বলে কটাক্ষ, যা বললেন অভিনেত্রী

ক্ষতি ঠেকানোর উপায়

. বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের ক্ষতি এড়াতে সচেতনতা জরুরি।

. অ্যামোনিয়াবিহীন প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করুন।

.পুরো চুল কালার করার আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করুন।

 

চুলে কালার করা নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। সেগুলো হলো:

. ঘন ঘন চুলে কালার করা থেকে বিরত থাকা

. অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চুলে স্থায়ী কালার করা যাবে না

. প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা সতর্কতার সাথে মেনে চলতে হবে

. কালার যতক্ষণ চুলে রাখার নির্দেশ, তার বেশি সময় কখনোই রাখা যাবে না

. সবচেয়ে ভালো হয়, যদি রাসায়নিক পণ্য ব্যবহার না করে মেহেদীর মতো প্রাকৃতিক কালার ব্যবহার করা যায়

করণীয়:

প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করা: প্রাকৃতিক রং যেমন মেহেদি, চা-এর লিকার ইত্যাদি চুলের জন্য নিরাপদ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: চুলের যত্নের জন্য এবং রং করার আগে একজন হেয়ার স্টাইলিস্ট বা ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

 

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চুলে কালার করছেন,ডেকে আনছেন বড় বিপদ

সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

অনেকেই নিয়মিত চুলে কালার করেন। আবার কেউ কেউ ট্রেন্ড মেনে চুলে রঙ করেন। কিন্তু এই অভ্যাস যে চুলের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে, তা অনেকেই জানেন না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেয়ার কালারে থাকা রাসায়নিক উপাদান শুধু চুলকেই দুর্বল করে না, মাথার ত্বকেও নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

 

চুলে কালার করলে কী কী ক্ষতি হয়?

চুল ভেঙে যাওয়া: অধিকাংশ হেয়ার কালারে অ্যামোনিয়া ও হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের মতো তীব্র রাসায়নিক থাকে। এগুলো মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয়। ফলে চুল দ্রুত দুর্বল হয়ে ভেঙে যায়।

চুল পাতলা হয়ে যাওয়া: অ্যামোনিয়া জাতীয় উপাদান চুলের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয়। প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও তেল শুষে নিয়ে গোড়া থেকে চুল পাতলা করে ফেলে। এতে ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়ে।

মাথার ত্বকে জ্বালা: অনেকের ক্ষেত্রে রঙ করার পর মাথার ত্বকে চুলকানি, অ্যালার্জি কিংবা জ্বালাভাব দেখা দেয়। এ ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে বুঝতে হবে চুল ও ত্বক হেয়ার ডাই সহ্য করছে না।

স্টাইলিংয়ের সমস্যা: নিয়মিত কালার করার ফলে চুল পাতলা ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। এতে হেয়ার স্টাইলিং করাও কঠিন হয়ে যায়। অতিরিক্ত স্টাইলিং করলে ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়ে।

 

আরও পড়ুন : মালাইকাকে বুড়ি বলে কটাক্ষ, যা বললেন অভিনেত্রী

ক্ষতি ঠেকানোর উপায়

. বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের ক্ষতি এড়াতে সচেতনতা জরুরি।

. অ্যামোনিয়াবিহীন প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করুন।

.পুরো চুল কালার করার আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করুন।

 

চুলে কালার করা নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। সেগুলো হলো:

. ঘন ঘন চুলে কালার করা থেকে বিরত থাকা

. অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় চুলে স্থায়ী কালার করা যাবে না

. প্যাকেটে লেখা নির্দেশনা সতর্কতার সাথে মেনে চলতে হবে

. কালার যতক্ষণ চুলে রাখার নির্দেশ, তার বেশি সময় কখনোই রাখা যাবে না

. সবচেয়ে ভালো হয়, যদি রাসায়নিক পণ্য ব্যবহার না করে মেহেদীর মতো প্রাকৃতিক কালার ব্যবহার করা যায়

করণীয়:

প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করা: প্রাকৃতিক রং যেমন মেহেদি, চা-এর লিকার ইত্যাদি চুলের জন্য নিরাপদ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: চুলের যত্নের জন্য এবং রং করার আগে একজন হেয়ার স্টাইলিস্ট বা ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।