১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কিশোরগঞ্জে বিএনপি–যুবদল সংঘর্ষে আহত ১০

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • 129

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় বালু উত্তোলন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে নিকলী সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে যৌথবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার (১১ আগস্ট) নদী থেকে বালু উত্তোলনে যুবদল নেতা সোহেল রানাকে বাধা দেন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সাধু সোহেল। এ সময় হামলার শিকার হন সাধু সোহেল। এর জের ধরে মঙ্গলবার গিয়াস উদ্দিন ও সোহেল রানার অনুসারীদের মধ্যে উপজেলা সদরে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। বাঁশ, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে দুই পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় ও জেলা সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।

আরও পড়ুন : সারজিস আলমের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মামলার আবেদন

ঘটনার বিষয়ে জানতে গিয়াস উদ্দিন ও সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নিকলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেলিম তালুকদার বলেন, “বালু উত্তোলন সংক্রান্ত বিরোধ ও সংঘর্ষের বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।”

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিরাজ করছে।”

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

কিশোরগঞ্জে বিএনপি–যুবদল সংঘর্ষে আহত ১০

সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় বালু উত্তোলন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে নিকলী সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে যৌথবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার (১১ আগস্ট) নদী থেকে বালু উত্তোলনে যুবদল নেতা সোহেল রানাকে বাধা দেন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সাধু সোহেল। এ সময় হামলার শিকার হন সাধু সোহেল। এর জের ধরে মঙ্গলবার গিয়াস উদ্দিন ও সোহেল রানার অনুসারীদের মধ্যে উপজেলা সদরে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। বাঁশ, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে দুই পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় ও জেলা সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।

আরও পড়ুন : সারজিস আলমের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মামলার আবেদন

ঘটনার বিষয়ে জানতে গিয়াস উদ্দিন ও সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নিকলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেলিম তালুকদার বলেন, “বালু উত্তোলন সংক্রান্ত বিরোধ ও সংঘর্ষের বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।”

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিরাজ করছে।”