রাজধানীর গুলশানে চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজির ঘটনায় সাবেক এমপির বাসা থেকে পাঁচ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সমন্বয়ক পরিচয়ে তারা আওয়ামী লীগের নেত্রী ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদের বাসায় এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এর আগেও তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছে বলে অভিযোগ।
পুলিশের হাতে আটককৃতরা হলেন, ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, আহ্বায়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (ঢাকা মহানগর শাখা)। মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব, সদস্য, একই সংগঠন। আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সদস্য। মো. আমিনুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মী
গুলশান থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, “শনিবার সন্ধ্যায় শাম্মী আহম্মেদের বাসায় গিয়ে তারা বাকি চাঁদার টাকা নিতে গেলে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।”
আরও পড়ুন : স্ত্রীর বিলাসী চাহিদা মেটাতে চাকরি ছেড়ে চুরি শুরু স্বামীর, অতঃপর
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই সকালে রিয়াদ ও তার সহযোগীরা সমন্বয়ক পরিচয়ে বাসায় গিয়েই চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে তাদের ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এর জেরেই শাম্মী আহম্মেদ বাধ্য হয়ে তাদের হাতে ১০ লাখ টাকা তুলে দেন। এরপর শনিবার ফের গেলে পুলিশ গ্রেফতার করে।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায়—দুই যুবক শাম্মী আহম্মেদের বাসার গেস্টরুমে টাকা গ্রহণ করছেন।
ডিএমপির গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আলী আহমেদ মাসুদ জানান, “আটকদের একজন রিয়াদ স্বীকার করেছেন, তার সংগঠনের আরেক নেতা জানে আলম অপু ৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন।”
চাঁদাবাজির অভিযোগে সংগঠনের পক্ষ থেকে কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,“সাংগঠনিক নীতিমালাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে ইব্রাহীম, সিয়াম ও সাদাবকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।”
ঢাকা ডেস্ক 









