দুপুরের খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর বিষয় নয়—এটি আপনার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ ধরে রাখা ও সুস্থতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সময়টা? পুষ্টিবিদদের মতে, দুপুর ১২:৩০ মিনিটের মধ্যে লাঞ্চ করলে শরীর সবচেয়ে ভালোভাবে তা গ্রহণ করে।
পুষ্টিবিদ সামান্থা ক্যাসেটি বলেন, ‘আপনার দিনটা যদি একটা দীর্ঘ গাড়ি ভ্রমণের মতো হয়, তবে লাঞ্চ হলো মাঝপথের জ্বালানি ভরার সময়।’
সময়মতো খাওয়া না হলে শরীর ‘ফুয়েল’ ছাড়া চলতে গিয়ে ক্লান্তি, অতিরিক্ত ক্ষুধা ও মেটাবলিক সমস্যা সৃষ্টি করে।
আরও পড়ুন : দুধ বা জুস খেলে কি শিশুর দাঁতে ক্যাভিটি হয়?
গবেষণায় দেখা গেছে, দুপুর ২টার পরে লাঞ্চ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি কমে, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আবার খুব তাড়াতাড়ি, যেমন সকাল ১১টার আগে খাওয়া হলে বিকেলে অতিরিক্ত ক্ষুধা দেখা দিতে পারে।
তাহলে সমাধান কী?
✅ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়, আদর্শভাবে দুপুর ১২:৩০-এর মধ্যে খেতে চেষ্টা করুন।
✅ যদি সময় না পান, আগে থেকে হালকা প্রোটিন ও সবজিভিত্তিক খাবার তৈরি করে রাখুন।
✅ খুব দেরি হলে সকালের হালকা স্ন্যাকস (যেমন বাদাম বা ফল) খেয়ে ক্ষুধা সামলান।
✅ খাবারের প্লেটে রাখুন আধা ভাগ সবজি, এক ভাগ প্রোটিন ও এক ভাগ ফাইবারযুক্ত কার্ব।
শেষ কথা, শুধু কখন খাবেন তাই নয়, কী খাবেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো, পুষ্টিকর ও ব্যালান্সড খাবার খেলে আপনি দিনজুড়ে চনমনে থাকবেন এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমবে।
ঢাকা ডেস্ক 















