১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

৭টি প্রচলিত অভ্যাস যা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • 82

মানসিক চাপ কমাতে আমরা প্রায়ই কিছু চটজলদি পন্থার আশ্রয় নিই—মোবাইলে স্ক্রলিং, কমফোর্ট ফুড খাওয়া বা এক গ্লাস পছন্দের পানীয়তে চুমুক। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাসগুলোর অনেকটাই স্বস্তি দেওয়ার বদলে চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এখানে এমন সাতটি প্রচলিত স্ট্রেস মুক্তির অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা দেখতে নিরীহ মনে হলেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

১. ডুমস্ক্রলিং

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একনাগাড়ে স্ক্রল করা মানসিক স্বস্তি এনে দেয় না, বরং গবেষণায় দেখা গেছে এটি উদ্বেগ, একাকীত্ব এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি করে। নেতিবাচক সংবাদ আর ‘সুন্দর জীবনের’ মিথ্যে ছবিগুলো আমাদের আরও বিষণ্ন করে তোলে।

আরও পড়ুন : অগ্নিদগ্ধদের পরিচর্যা করবেন যেভাবে

২. অতিরিক্ত চিন্তা

একটা সমস্যা নিয়ে বারবার ভাবলে সমাধান মিলবে—এমন ভাবা ভুল। এ ধরনের চিন্তা ‘রিউমিনেশন’-এ পরিণত হয় যা অনিদ্রা ও বিষণ্নতার কারণ হতে পারে।

৩. ইমোশনাল ইটিং

চাপের মুখে খাবার খাওয়ার প্রবণতা সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু এটি ওজন বৃদ্ধি, অপরাধবোধ ও মানসিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।

৪. সমস্যাকে এড়িয়ে চলা

অবজ্ঞা করে সমস্যাকে দূরে সরিয়ে রাখা মানসিক চাপ সাময়িক কমাতে পারে, কিন্তু সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে।

৫. অ্যালকোহলে ভরসা

এক গ্লাস মদ কিছুটা আরাম দিলেও এটি একটি ডিপ্রেসেন্ট এবং আপনার ঘুম ও উদ্বেগকে আরও খারাপ করতে পারে।

৬. অতিরিক্ত অভিযোগ বা ‘ভেন্টিং’

সমস্যা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলা ভালো, কিন্তু বারবার অভিযোগ করলে তা মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে এবং শ্রোতারও ধৈর্য হারিয়ে যেতে পারে।

৭. ঘুমের অতিরিক্ততা বা ঘুমহীনতা

চাপের কারণে কেউ কেউ অতিরিক্ত ঘুমান, কেউ আবার সারা রাত জেগে থাকেন। উভয়ই ঘুমচক্রে ব্যাঘাত ঘটিয়ে শরীরকে দুর্বল করে তোলে।

মানসিক চাপ কমানোর স্বাস্থ্যকর পন্থা কী হতে পারে?

মাইন্ডফুলনেস: গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস বা মেডিটেশন।

শারীরিক ব্যায়াম: অল্প হাঁটাহাঁটিও এন্ডরফিন বাড়ায়।

প্রকৃতির মাঝে সময়: দিনে মাত্র ২০ মিনিট প্রকৃতিতে কাটানো মানসিক প্রশান্তি আনে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

৭টি প্রচলিত অভ্যাস যা আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

মানসিক চাপ কমাতে আমরা প্রায়ই কিছু চটজলদি পন্থার আশ্রয় নিই—মোবাইলে স্ক্রলিং, কমফোর্ট ফুড খাওয়া বা এক গ্লাস পছন্দের পানীয়তে চুমুক। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাসগুলোর অনেকটাই স্বস্তি দেওয়ার বদলে চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এখানে এমন সাতটি প্রচলিত স্ট্রেস মুক্তির অভ্যাস তুলে ধরা হলো, যা দেখতে নিরীহ মনে হলেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

১. ডুমস্ক্রলিং

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একনাগাড়ে স্ক্রল করা মানসিক স্বস্তি এনে দেয় না, বরং গবেষণায় দেখা গেছে এটি উদ্বেগ, একাকীত্ব এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি করে। নেতিবাচক সংবাদ আর ‘সুন্দর জীবনের’ মিথ্যে ছবিগুলো আমাদের আরও বিষণ্ন করে তোলে।

আরও পড়ুন : অগ্নিদগ্ধদের পরিচর্যা করবেন যেভাবে

২. অতিরিক্ত চিন্তা

একটা সমস্যা নিয়ে বারবার ভাবলে সমাধান মিলবে—এমন ভাবা ভুল। এ ধরনের চিন্তা ‘রিউমিনেশন’-এ পরিণত হয় যা অনিদ্রা ও বিষণ্নতার কারণ হতে পারে।

৩. ইমোশনাল ইটিং

চাপের মুখে খাবার খাওয়ার প্রবণতা সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু এটি ওজন বৃদ্ধি, অপরাধবোধ ও মানসিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।

৪. সমস্যাকে এড়িয়ে চলা

অবজ্ঞা করে সমস্যাকে দূরে সরিয়ে রাখা মানসিক চাপ সাময়িক কমাতে পারে, কিন্তু সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে।

৫. অ্যালকোহলে ভরসা

এক গ্লাস মদ কিছুটা আরাম দিলেও এটি একটি ডিপ্রেসেন্ট এবং আপনার ঘুম ও উদ্বেগকে আরও খারাপ করতে পারে।

৬. অতিরিক্ত অভিযোগ বা ‘ভেন্টিং’

সমস্যা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলা ভালো, কিন্তু বারবার অভিযোগ করলে তা মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে এবং শ্রোতারও ধৈর্য হারিয়ে যেতে পারে।

৭. ঘুমের অতিরিক্ততা বা ঘুমহীনতা

চাপের কারণে কেউ কেউ অতিরিক্ত ঘুমান, কেউ আবার সারা রাত জেগে থাকেন। উভয়ই ঘুমচক্রে ব্যাঘাত ঘটিয়ে শরীরকে দুর্বল করে তোলে।

মানসিক চাপ কমানোর স্বাস্থ্যকর পন্থা কী হতে পারে?

মাইন্ডফুলনেস: গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস বা মেডিটেশন।

শারীরিক ব্যায়াম: অল্প হাঁটাহাঁটিও এন্ডরফিন বাড়ায়।

প্রকৃতির মাঝে সময়: দিনে মাত্র ২০ মিনিট প্রকৃতিতে কাটানো মানসিক প্রশান্তি আনে।