১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুই মেয়েকে নিয়ে গুহায় বসবাস করছিলেন রাশিয়ান নারী, অতঃপর

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • 91

ভারতের কর্নাটকের গোকর্ণ অঞ্চলের এক দুর্গম গুহায় দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে বিপজ্জনকভাবে বসবাস করছিলেন এক রাশিয়ান নারী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তিনজনকেই উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করেছে।

গত ৯ জুলাই বিকেলে পাহাড়ি এলাকায় টহলের সময় গোকর্ণ থানার ইন্সপেক্টর শ্রীধর এস.আর. ও তার দল রামতীর্থ পাহাড়ে এক গুহার ভেতরে ৪০ বছর বয়সী রাশিয়ান নাগরিক নিনা কুটিনা এবং তার দুই মেয়ে প্রেমা (৬ বছর ৭ মাস) ও আমেকাকে (৪ বছর) খুঁজে পান।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে নিনা জানান, তিনি গোয়া থেকে গোকর্ণে এসেছেন আধ্যাত্মিক নির্জনতার সন্ধানে। শহরের কোলাহল এড়িয়ে নিজের ও মেয়েদের নিয়ে ধ্যান-প্রার্থনায় মগ্ন থাকার জন্যই তিনি ভূমিধসপ্রবণ ও সাপের আবাসভূমি হিসেবে পরিচিত একটি গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন : ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাজ্যের ৬০ লেবার এমপির আহ্বান

স্থানীয় প্রশাসন ও শিশু কল্যাণ দপ্তর বিষয়টিকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও অনৈতিক বলে মন্তব্য করে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। এরপর নিনা নিজেই অনুরোধ করেন, তাদের যেন গোকর্ণের কুমতা তালুকের বান্ধিকোডলা গ্রামের এক আশ্রমে রাখা হয়, যেটি পরিচালনা করেন ৮০ বছর বয়সী সন্ন্যাসিনী স্বামী যোগবত্ব সরস্বতী।

প্রথমদিকে পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য দিতে অনীহা দেখালেও পরে পুলিশের বোঝানোর পর নিনা জানান, তার কাগজপত্র জঙ্গলে হারিয়ে গেছে। বন বিভাগ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, যেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে, সেই রামতীর্থ পাহাড়ে গত বছর ভয়াবহ ভূমিধস হয়

 

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

দুই মেয়েকে নিয়ে গুহায় বসবাস করছিলেন রাশিয়ান নারী, অতঃপর

সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

ভারতের কর্নাটকের গোকর্ণ অঞ্চলের এক দুর্গম গুহায় দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে বিপজ্জনকভাবে বসবাস করছিলেন এক রাশিয়ান নারী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তিনজনকেই উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করেছে।

গত ৯ জুলাই বিকেলে পাহাড়ি এলাকায় টহলের সময় গোকর্ণ থানার ইন্সপেক্টর শ্রীধর এস.আর. ও তার দল রামতীর্থ পাহাড়ে এক গুহার ভেতরে ৪০ বছর বয়সী রাশিয়ান নাগরিক নিনা কুটিনা এবং তার দুই মেয়ে প্রেমা (৬ বছর ৭ মাস) ও আমেকাকে (৪ বছর) খুঁজে পান।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে নিনা জানান, তিনি গোয়া থেকে গোকর্ণে এসেছেন আধ্যাত্মিক নির্জনতার সন্ধানে। শহরের কোলাহল এড়িয়ে নিজের ও মেয়েদের নিয়ে ধ্যান-প্রার্থনায় মগ্ন থাকার জন্যই তিনি ভূমিধসপ্রবণ ও সাপের আবাসভূমি হিসেবে পরিচিত একটি গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন : ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাজ্যের ৬০ লেবার এমপির আহ্বান

স্থানীয় প্রশাসন ও শিশু কল্যাণ দপ্তর বিষয়টিকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও অনৈতিক বলে মন্তব্য করে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। এরপর নিনা নিজেই অনুরোধ করেন, তাদের যেন গোকর্ণের কুমতা তালুকের বান্ধিকোডলা গ্রামের এক আশ্রমে রাখা হয়, যেটি পরিচালনা করেন ৮০ বছর বয়সী সন্ন্যাসিনী স্বামী যোগবত্ব সরস্বতী।

প্রথমদিকে পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য দিতে অনীহা দেখালেও পরে পুলিশের বোঝানোর পর নিনা জানান, তার কাগজপত্র জঙ্গলে হারিয়ে গেছে। বন বিভাগ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, যেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে, সেই রামতীর্থ পাহাড়ে গত বছর ভয়াবহ ভূমিধস হয়