প্রথমবারের মতো ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে দিনটি উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়নি—এ বিষয়ে পরিস্কার ব্যাখ্যা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে জানানো হয়, ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হবে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ ছুটির আওতায় পড়বে না।
আরও পড়ুন : আবু সাঈদ হত্যা ও আশুলিয়া গণহত্যা: আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির
পরিপত্র অনুযায়ী, ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবসগুলো জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সীমিত পরিসরে উদযাপিত হয়। এ ধরনের দিবসে কর্মস্থলে উপস্থিত থেকেই আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। শোভাযাত্রা বা বড় পরিসরের গণআয়োজন সাধারণত হয় না।
এদিকে, ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ওইদিন সরকারি ছুটি থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পটভূমিতে আবু সাঈদের শহীদ হওয়া এবং পরবর্তীকালের উত্তাল গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে দিনটি ছুটির আওতায় না পড়ায় অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে মতামত জানিয়ে আসছিলেন।
সরকারের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট হয়েছে, এ বছর থেকে দিবসটি সীমিত আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই পালিত হবে এবং সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়নি।
ঢাকা ডেস্ক 









