০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাবিতে সমকামিতা করতে এসে শিক্ষার্থীদের কাছে ধরা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • 117

অনলাইনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক সমকামী ব্যক্তিকে হলের নিজ রুমে ডেকে আনেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ২২-২৩ সেশনের উর্দু বিভাগের একজন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক মোহাম্মাদ ইমরান।

ঘটনার বর্ণনায় মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক মোহাম্মাদ ইমরান জানান, সকালের দিকে আমাদের হলের একটি রুমের সামনে একজন বহিরাগতকে পাওয়া যায়। তার অন্য একটি রুমে যাওয়ার কথা থাকলেও ভুলক্রমে তিনি আরেকটি রুমের সামনে চলে যান। ওই রুমের যে আবাসিক শিক্ষার্থী আছেন তারা তাকে জিজ্ঞাসার মাধ্যমে আমাদের হলের অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে তাদের দুজনের মোবাইলে সমকামীদের যোগাযোগ করার একটি অনলাইন অ্যাপ পাওয়া যায় ও সেখানে তাদের যোগাযোগের বিষয়টি বেরিয়ে আসে।’

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা তৎক্ষণিক আমরা হল প্রশাসনকে জানাই এবং হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউজ টিউটররা এসে প্রাধ্যক্ষের রুমে তাদেরকে নিয়ে যায় এবং সেখানেই তারা দুজনেই স্বীকারোক্তিমূলক মুচলেকা দেয়। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আমাদের হলের ২২-২৩ সেশনের অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর সিট বাতিল করা হয়েছে ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাহায্য শাহাবাগ থানায় আইনের ধারা অনুযায়ী হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দেওয়া হয়।

ঘটনার স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জানান, তিনি অনেকদিন ধরে সমকামিতার সঙ্গে জড়িত। হলের আরও দুজন শিক্ষার্থীও এই একই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন।

এ ঘটনার বিষয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে এখনই কোনো রকম মন্তব্য করবেন না বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ওই ব্যক্তিকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঢাবিতে সমকামিতা করতে এসে শিক্ষার্থীদের কাছে ধরা

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

অনলাইনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক সমকামী ব্যক্তিকে হলের নিজ রুমে ডেকে আনেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ২২-২৩ সেশনের উর্দু বিভাগের একজন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক মোহাম্মাদ ইমরান।

ঘটনার বর্ণনায় মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক মোহাম্মাদ ইমরান জানান, সকালের দিকে আমাদের হলের একটি রুমের সামনে একজন বহিরাগতকে পাওয়া যায়। তার অন্য একটি রুমে যাওয়ার কথা থাকলেও ভুলক্রমে তিনি আরেকটি রুমের সামনে চলে যান। ওই রুমের যে আবাসিক শিক্ষার্থী আছেন তারা তাকে জিজ্ঞাসার মাধ্যমে আমাদের হলের অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে তাদের দুজনের মোবাইলে সমকামীদের যোগাযোগ করার একটি অনলাইন অ্যাপ পাওয়া যায় ও সেখানে তাদের যোগাযোগের বিষয়টি বেরিয়ে আসে।’

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা তৎক্ষণিক আমরা হল প্রশাসনকে জানাই এবং হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউজ টিউটররা এসে প্রাধ্যক্ষের রুমে তাদেরকে নিয়ে যায় এবং সেখানেই তারা দুজনেই স্বীকারোক্তিমূলক মুচলেকা দেয়। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আমাদের হলের ২২-২৩ সেশনের অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর সিট বাতিল করা হয়েছে ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাহায্য শাহাবাগ থানায় আইনের ধারা অনুযায়ী হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দেওয়া হয়।

ঘটনার স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী জানান, তিনি অনেকদিন ধরে সমকামিতার সঙ্গে জড়িত। হলের আরও দুজন শিক্ষার্থীও এই একই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন।

এ ঘটনার বিষয়ে মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে এখনই কোনো রকম মন্তব্য করবেন না বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ওই ব্যক্তিকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।