২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের তিন দিন পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে চলছে রাজনৈতিক আলোচনা। শুরু থেকেই দাবী করা হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সবাই দল নিরপেক্ষ হবেন।
সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রতিনিধিদল। তাদের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল ‘দলীয় উপদেষ্টাদের’ অপসারণ, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও কোনো দলের প্রতিনিধি সরাসরি কোনো নাম উল্লেখ করেননি।
সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে বলেছেন, এই তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের নাম থাকতে পারে।
আরও পড়ুন : ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮০৩ জন
মাসুদ কামাল উল্লেখ করেছেন, “আমার ধারণা, রাজনৈতিক দলের নেতাদের যে ‘দলীয় উপদেষ্টাদের’ কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে আসিফ মাহমুদ আছেন। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অযোগ্যতা এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিকর কার্যকলাপ।”
তিনি আসিফ মাহমুদের সম্প্রতি একটি ফেসবুক পোস্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে করা কয়েকটি চুক্তি বাতিলের খবর প্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য নাকচ করেছিলেন। মাসুদ কামাল এই কর্মকাণ্ডকে ভুল বা উল্টাপাল্টা কাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন, “আসিফ মাহমুদ অযোগ্য। এত ভুল কাজ করেন, উল্টাপাল্টা কাজ করেন। আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করার জন্য এই ধরনের ঘটনাই যথেষ্ট।”
ঢাকা ডেস্ক 









