অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারও ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে সাত শিশু ও তিন নারী। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র আট দিন পর এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির জায়তুন এলাকায় আবু শাহবান পরিবারের একটি বেসামরিক গাড়িতে ট্যাংকের গোলা নিক্ষেপ করে ইসরাইলি বাহিনী। পরিবারের সদস্যরা সেদিন নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির অবস্থা দেখতে যাচ্ছিলেন।
সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, “এই হামলা প্রমাণ করে দখলদার বাহিনী এখনো নিরীহ বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। তাদের সতর্ক করা বা অন্যভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেত, কিন্তু তা করা হয়নি।”
আরও পড়ুন : শাহজালাল বিমানবন্দরের আগুন: ২১ ঘণ্টা পরও ধ্বংসস্তূপে ধোঁয়া
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক কার্যালয়ের (ওসিএইচএ) সহায়তায় উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুই শিশুর দেহাবশেষ এখনো নিখোঁজ, কারণ বিস্ফোরণের তীব্রতায় তারা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
হামাস এ ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, সম্পূর্ণ বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা চালানো হয়েছে কোনো উসকানি ছাড়াই। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন ইসরাইলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য করা হয়।
গাজার মিডিয়া অফিস জানায়, বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায়ই ইসরাইল গত সপ্তাহে অন্তত ৩৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। পাশাপাশি খাদ্য, ওষুধসহ মানবিক সহায়তাও সীমিত করে রেখেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা ডেস্ক 









