০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম ইপিজেডে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 120

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ইপিজেডের ৫ নম্বর প্লটে অবস্থিত অ্যাডামস ক্যাপ নামের কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থার মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম। তিনি জানান, আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায়। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন : শর্ত পূরণ না হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামির হোসেন বলেন, “কারখানাটিতে মেডিকেল একসেসরিজ তৈরি হতো। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো হবে।”

অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানায় ঠিক কতজন শ্রমিক ছিলেন বা কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুনের উৎস নিয়েও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর কাজ শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি এবং কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

 

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চট্টগ্রাম ইপিজেডে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:২৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ইপিজেডের ৫ নম্বর প্লটে অবস্থিত অ্যাডামস ক্যাপ নামের কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থার মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম। তিনি জানান, আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায়। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন : শর্ত পূরণ না হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামির হোসেন বলেন, “কারখানাটিতে মেডিকেল একসেসরিজ তৈরি হতো। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানানো হবে।”

অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানায় ঠিক কতজন শ্রমিক ছিলেন বা কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুনের উৎস নিয়েও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর কাজ শেষ হলে ক্ষয়ক্ষতি এবং কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।