১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কলাবাগানে স্ত্রীকে হত্যা করে ফ্রিজে রাখেন স্বামী, অতঃপর…

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • 108

রাজধানীর কলাবাগানে ডিপ ফ্রিজ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা-পুলিশ।

‎ওসি ফজলে আশিক বলেন, রাজধানীর কলাবাগানে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে ঘটনা জানাজানি হলে আত্মগোপন করেন তিনি। ঘটনার এক দিন পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, কলাবাগানের প্রথম লেনের ভাড়া বাসায় স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে হত্যার পর মরদেহ ড্রিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে পাশের রুমে থাকা দুই মেয়েকে নিয়ে যান বোনের বাসায়। ফুফুর বাসায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও মায়ের খোঁজ না পেয়ে মামাদের ফোন করে তাসলিমার মেয়েরা‌। পরে সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে পুলিশ নিয়ে বাসায় গিয়ে উদ্ধার করা হয় মরদেহ।

সুরতহাল রিপোর্ট বলছে, তাসলিমা আক্তারকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে হাতুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করের ক্ষান্ত হননি স্বামী নজরুল। এরপর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে বিছানার চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন ড্রিপ ফ্রিজে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

কলাবাগানে স্ত্রীকে হত্যা করে ফ্রিজে রাখেন স্বামী, অতঃপর…

সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর কলাবাগানে ডিপ ফ্রিজ থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পুরান ঢাকার নবাবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কলাবাগান থানা-পুলিশ।

‎ওসি ফজলে আশিক বলেন, রাজধানীর কলাবাগানে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে ঘটনা জানাজানি হলে আত্মগোপন করেন তিনি। ঘটনার এক দিন পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, কলাবাগানের প্রথম লেনের ভাড়া বাসায় স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে হত্যার পর মরদেহ ড্রিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে পাশের রুমে থাকা দুই মেয়েকে নিয়ে যান বোনের বাসায়। ফুফুর বাসায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও মায়ের খোঁজ না পেয়ে মামাদের ফোন করে তাসলিমার মেয়েরা‌। পরে সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে পুলিশ নিয়ে বাসায় গিয়ে উদ্ধার করা হয় মরদেহ।

সুরতহাল রিপোর্ট বলছে, তাসলিমা আক্তারকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে হাতুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করের ক্ষান্ত হননি স্বামী নজরুল। এরপর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে বিছানার চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন ড্রিপ ফ্রিজে।