ফরিদপুরের সালথায় স্থানীয় মসজিদের চাবি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষ শুরু হয় এবং টানা তিন ঘণ্টা ধরে চলে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময় দুই পক্ষ একে অপরের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে কয়েকটি বাড়ি ও একটি দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর হয়।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী সরকারের পতনের পর থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বাহিরদিয়া গ্রামের লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্যা গ্রুপের সঙ্গে মৌলভী হেমায়েত হোসেনের অনুসারীদের বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে হেমায়েতের পক্ষের কয়েকজন স্থানীয় মসজিদের দরজার চাবি চাইতে গেলে নজরুল নামে ইমরানপন্থী এক ব্যক্তি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা পরদিন সকালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন : শাপলা প্রতীক ছাড়া নিবন্ধন নেবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
রাতেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করলেও শুক্রবার ভোরে পুনরায় হামলা ও পাল্টা হামলা শুরু হয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে স্থানীয়ভাবে।
সালথা থানার ওসি মো. আতাউর রহমান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতি এখন শান্ত।”
ঢাকা ডেস্ক 









