১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গাজায় সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • 108

গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, কোনো মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে না। গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।

মিশরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে চলমান আলোচনার তৃতীয় দিনে গত বুধবার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় হামাস ও ইসরায়েল। এতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিসর ও তুরস্ক। চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় সংঘাত বন্ধের পাশাপাশি বন্দিবিনিময় করবে দুই পক্ষ।

দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার এ খবরে আনন্দ-উল্লাস করছেন গাজার বাসিন্দারা। যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সঙ্গে হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি পাওয়ার সুযোগ আসবে বলে উল্লাস দেখা গেছে ইসরায়েলেও।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় টানা নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ সময়ের মধ্যে দুই ধাপে মাত্র দুই মাসের কিছুটা বেশি সময় সেখানে যুদ্ধবিরতি ছিল। বাকি সময়ে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গাজায় সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র

সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে, কোনো মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে না। গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।

মিশরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে চলমান আলোচনার তৃতীয় দিনে গত বুধবার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় হামাস ও ইসরায়েল। এতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার, মিসর ও তুরস্ক। চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় সংঘাত বন্ধের পাশাপাশি বন্দিবিনিময় করবে দুই পক্ষ।

দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার এ খবরে আনন্দ-উল্লাস করছেন গাজার বাসিন্দারা। যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সঙ্গে হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি পাওয়ার সুযোগ আসবে বলে উল্লাস দেখা গেছে ইসরায়েলেও।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় টানা নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ সময়ের মধ্যে দুই ধাপে মাত্র দুই মাসের কিছুটা বেশি সময় সেখানে যুদ্ধবিরতি ছিল। বাকি সময়ে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।