নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে এ বছরের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা এসেছে—বিজয়ী হয়েছেন ভেনেজুয়েলের গণতন্ত্রকামী নেতা মাহিনা কোহিয়ানা মাচাদো। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্ভীক ও অহিংস সংগ্রামের জন্য মাচাদোকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তার নেতৃত্বে দেশের মানুষ ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের পথে এগিয়ে চলেছে—যা বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসী নাগরিকদের অনুপ্রাণিত করেছে।
নোবেল কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অহিংস প্রতিরোধ ও গণতান্ত্রিক ন্যায়ের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান মাচাদোকে কেবল ভেনেজুয়েলাতেই নয়, বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রকামীদের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক করে তুলেছে।’
আরও পড়ুন : আজ শান্তিতে নোবেল ঘোষণা, ট্রাম্প কি নোবেল পাচ্ছেন?
গত বছর (২০২৪) শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল জাপানের অ্যান্টি-নিউক্লিয়ার সংগঠন নিহন হিদানকিয়ো, যারা হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক বোমা হামলায় বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করে।
এর আগের বছর (২০২৩) এই সম্মান পেয়েছিলেন ইরানের মানবাধিকার কর্মী নার্গিস মোহাম্মাদি, নারীর অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংগ্রামে তার সাহসিকতার জন্য।
ইতিহাসে সর্বাধিক তিনবার শান্তিতে নোবেল জিতেছে রেড ক্রস (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে)। এছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর পেয়েছে দুইবার (১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে)।
এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মাহিনা কোহিয়ানা মাচাদো এখন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বৈশ্বিক প্রতীকে পরিণত হলেন—যেখানে তার সংগ্রাম কেবল ভেনেজুয়েলার নয়, বরং গোটা বিশ্বের স্বাধীনতার লড়াইয়ের প্রতিফলন।
ঢাকা ডেস্ক 









