০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শুল্কের কারণেই আমরা শান্তিরক্ষকের ভূমিকায় আছি: ট্রাম্প

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 44

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে একটি ‘শান্তিরক্ষক’ দেশ। আর সেই শান্তি এসেছে শুল্কের শক্তি থেকে। তাঁর আরোপিত শুল্কের কারণেই দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তান এই বছরের শুরুতে সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, আরোপিত এই শুল্ক থেকে ওয়াশিংটনও আয় করছে শত শত বিলিয়ন ডলার।

ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, শুল্কনীতি নিয়ে তাঁর অবস্থান বদলাবেন কি না। জবাবে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি আমার হাতে শুল্কের ক্ষমতা না থাকত, তাহলে এখন চলমান সাতটির মধ্যে অন্তত চারটি যুদ্ধ চলত।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের দিকে তাকান, তারা যুদ্ধের মুখে ছিল। সাতটি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল…আমি ঠিক কী বলেছিলাম তা বলতে চাই না, কিন্তু যা বলেছিলাম, তা খুবই কার্যকর হয়েছিল।’

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি বলেছিলাম, আমি আপনার সঙ্গে কোনো বাণিজ্য চুক্তি করতে চাই না…আপনারা তো প্রায় পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে যাচ্ছিলেন। আমি বলেছিলাম, আমাকে আগামীকাল ফোন করুন, কিন্তু আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি করব না, অথবা আমরা এমন উচ্চ শুল্ক আরোপ করব যে আপনাদের মাথা ঘুরে যাবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা শুধু শত শত বিলিয়ন ডলারই উপার্জন করি না, বরং শুল্কের কারণেই আমরা শান্তিরক্ষকের ভূমিকায় আছি।’

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

শুল্কের কারণেই আমরা শান্তিরক্ষকের ভূমিকায় আছি: ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে একটি ‘শান্তিরক্ষক’ দেশ। আর সেই শান্তি এসেছে শুল্কের শক্তি থেকে। তাঁর আরোপিত শুল্কের কারণেই দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তান এই বছরের শুরুতে সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, আরোপিত এই শুল্ক থেকে ওয়াশিংটনও আয় করছে শত শত বিলিয়ন ডলার।

ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, শুল্কনীতি নিয়ে তাঁর অবস্থান বদলাবেন কি না। জবাবে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি আমার হাতে শুল্কের ক্ষমতা না থাকত, তাহলে এখন চলমান সাতটির মধ্যে অন্তত চারটি যুদ্ধ চলত।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানের দিকে তাকান, তারা যুদ্ধের মুখে ছিল। সাতটি বিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল…আমি ঠিক কী বলেছিলাম তা বলতে চাই না, কিন্তু যা বলেছিলাম, তা খুবই কার্যকর হয়েছিল।’

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমি বলেছিলাম, আমি আপনার সঙ্গে কোনো বাণিজ্য চুক্তি করতে চাই না…আপনারা তো প্রায় পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে যাচ্ছিলেন। আমি বলেছিলাম, আমাকে আগামীকাল ফোন করুন, কিন্তু আমরা আপনাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি করব না, অথবা আমরা এমন উচ্চ শুল্ক আরোপ করব যে আপনাদের মাথা ঘুরে যাবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছিল।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা শুধু শত শত বিলিয়ন ডলারই উপার্জন করি না, বরং শুল্কের কারণেই আমরা শান্তিরক্ষকের ভূমিকায় আছি।’