০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

দায়িত্ব নেওয়ার ২৬ দিনেই ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • 99

ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২৬ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

গত সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে পরাজিত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বাইরু। এরপর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ লেকর্নুকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দেন। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার গঠিত মন্ত্রিসভা নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

বিরোধীদলগুলোর অভিযোগ ছিল—লেকর্নু পূর্ববর্তী বাইরু সরকারের মন্ত্রিসভা অপরিবর্তিত রেখেছেন, যা সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী। তারা ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকারকে বাতিলের হুমকিও দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের ঘোষণা দেন লেকর্নু।

আরও পড়ুন : ক্যারম খেলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২০

বর্তমানে জাতীয় পরিষদের একাধিক দল আগাম নির্বাচন দাবি করছে। এমনকি কিছু দল প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁরও পদত্যাগ চেয়েছে। তবে ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, তিনি ২০২৭ সালে মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

গত বছরের জুলাই থেকে ফ্রান্সের রাজনীতি টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে। এই অস্থিতিশীলতার কারণে যে কোনো প্রধানমন্ত্রীর জন্যই সংসদে বিল বা বাজেট পাস করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেকর্নু ছিলেন ম্যাক্রোঁর দ্বিতীয় মেয়াদে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

দায়িত্ব নেওয়ার ২৬ দিনেই ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২৬ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

গত সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে পরাজিত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বাইরু। এরপর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ লেকর্নুকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দেন। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার গঠিত মন্ত্রিসভা নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনা ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

বিরোধীদলগুলোর অভিযোগ ছিল—লেকর্নু পূর্ববর্তী বাইরু সরকারের মন্ত্রিসভা অপরিবর্তিত রেখেছেন, যা সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী। তারা ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকারকে বাতিলের হুমকিও দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের ঘোষণা দেন লেকর্নু।

আরও পড়ুন : ক্যারম খেলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২০

বর্তমানে জাতীয় পরিষদের একাধিক দল আগাম নির্বাচন দাবি করছে। এমনকি কিছু দল প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁরও পদত্যাগ চেয়েছে। তবে ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, তিনি ২০২৭ সালে মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

গত বছরের জুলাই থেকে ফ্রান্সের রাজনীতি টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে। এই অস্থিতিশীলতার কারণে যে কোনো প্রধানমন্ত্রীর জন্যই সংসদে বিল বা বাজেট পাস করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লেকর্নু ছিলেন ম্যাক্রোঁর দ্বিতীয় মেয়াদে পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: বিবিসি