০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সুমুদ ফ্লোটিলার কর্মীদের আটক করে ইসরায়েলে নেওয়া হচ্ছে

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • 90

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে সমুদ্রে যাত্রা করা আন্তর্জাতিক নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’কে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আটকের পর সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ নৌযানে থাকা অন্যান্য কর্মী-অ্যাক্টিভিস্টদের ইসরায়েলের আশোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা গেছে, আটক হওয়া ব্যক্তিরা বর্তমানে নিরাপদ আছেন। নৌবাহিনীর অভিযানে কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি এবং তাদের দ্রুত ইউরোপে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় চলমান অবরোধ ভাঙতে গঠিত এই বহরে ৪৪টি নৌযান ছিল। এর মধ্যে অন্তত ২১টি জাহাজকে ইসরায়েল থামিয়ে দিয়েছে। আটক অভিযান সত্ত্বেও কিছু জাহাজ এখনো গাজা উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন : গাজামুখী সুমুদ ফ্লোটিলার ১৩টি নৌযানসহ দুই শতাধিক মানুষ আটক

এর আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজে এবং কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো ফ্লোটিলার গন্তব্যে পৌঁছাতে কোনো বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ফ্লোটিলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে বৈধ সহায়তা বহন করছে। তবে ইসরায়েলের দাবি, এ উদ্যোগ তাদের আরোপিত নৌ অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টা।

আটককৃতদের মধ্যে স্পেন, ইতালি, তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার কর্মীরাও রয়েছেন। তারা জানাচ্ছেন, গ্রেপ্তার অভিযান হলেও এই মিশন বন্ধ হয়নি—ফ্লোটিলার উদ্দেশ্য গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, এবং তা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

সুমুদ ফ্লোটিলার কর্মীদের আটক করে ইসরায়েলে নেওয়া হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে সমুদ্রে যাত্রা করা আন্তর্জাতিক নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’কে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আটকের পর সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ নৌযানে থাকা অন্যান্য কর্মী-অ্যাক্টিভিস্টদের ইসরায়েলের আশোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা গেছে, আটক হওয়া ব্যক্তিরা বর্তমানে নিরাপদ আছেন। নৌবাহিনীর অভিযানে কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি এবং তাদের দ্রুত ইউরোপে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় চলমান অবরোধ ভাঙতে গঠিত এই বহরে ৪৪টি নৌযান ছিল। এর মধ্যে অন্তত ২১টি জাহাজকে ইসরায়েল থামিয়ে দিয়েছে। আটক অভিযান সত্ত্বেও কিছু জাহাজ এখনো গাজা উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন : গাজামুখী সুমুদ ফ্লোটিলার ১৩টি নৌযানসহ দুই শতাধিক মানুষ আটক

এর আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজে এবং কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো ফ্লোটিলার গন্তব্যে পৌঁছাতে কোনো বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ফ্লোটিলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে বৈধ সহায়তা বহন করছে। তবে ইসরায়েলের দাবি, এ উদ্যোগ তাদের আরোপিত নৌ অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টা।

আটককৃতদের মধ্যে স্পেন, ইতালি, তুরস্ক ও মালয়েশিয়ার কর্মীরাও রয়েছেন। তারা জানাচ্ছেন, গ্রেপ্তার অভিযান হলেও এই মিশন বন্ধ হয়নি—ফ্লোটিলার উদ্দেশ্য গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো, এবং তা অব্যাহত থাকবে।