০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

লাদাখে উত্তেজনা চরমে, কারফিউ জারি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 124

ভারতের হিমালয় অঞ্চল লাদাখে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী লেহতে কারফিউ জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামলে বুধবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হন।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা বিজেপির স্থানীয় দফতরে অগ্নিসংযোগ করে এবং একটি পুলিশ ভ্যান পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন : নিউইয়র্কে ভারতের সমালোচনা করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ঘটনার জন্য পরিচিত পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে দায়ী করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ওয়াংচুক অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “বেকারত্ব ও হতাশাই তরুণদের ক্ষোভের মূল কারণ।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে লাদাখের রাজ্যের মর্যাদা, সাংস্কৃতিক অধিকার ও ভূমি সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই বৌদ্ধপ্রধান লেহ এবং মুসলিম-অধ্যুষিত কারগিল জেলার জনগণ রাজ্যের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ হচ্ছে এবং এতে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে “কিছু মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অশান্তি উসকে দিচ্ছে” বলে অভিযোগ করেন লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর কবিন্দর গুপ্ত। তিনি জানান, সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগামী ৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারের গঠিত কমিটি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবে। এর আগে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও আলোচনার আরেক দফা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

লাদাখে উত্তেজনা চরমে, কারফিউ জারি

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:২৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের হিমালয় অঞ্চল লাদাখে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী লেহতে কারফিউ জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামলে বুধবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হন।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা বিজেপির স্থানীয় দফতরে অগ্নিসংযোগ করে এবং একটি পুলিশ ভ্যান পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় প্রায় ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালাতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন : নিউইয়র্কে ভারতের সমালোচনা করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ঘটনার জন্য পরিচিত পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে দায়ী করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ওয়াংচুক অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “বেকারত্ব ও হতাশাই তরুণদের ক্ষোভের মূল কারণ।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে লাদাখের রাজ্যের মর্যাদা, সাংস্কৃতিক অধিকার ও ভূমি সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই বৌদ্ধপ্রধান লেহ এবং মুসলিম-অধ্যুষিত কারগিল জেলার জনগণ রাজ্যের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ হচ্ছে এবং এতে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে “কিছু মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অশান্তি উসকে দিচ্ছে” বলে অভিযোগ করেন লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর কবিন্দর গুপ্ত। তিনি জানান, সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগামী ৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকারের গঠিত কমিটি স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসবে। এর আগে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও আলোচনার আরেক দফা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।