জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মধ্যেই চারটি প্রধান প্যানেল ও পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তুলে তারা পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দীর্ঘ ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে প্রথমে ভোট বর্জন করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। এরপর সম্প্রীতির ঐক্য, সংশপ্তক পর্ষদ ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদও একই পথে চলে। একই সঙ্গে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোট বর্জন করেছেন।
আরও পড়ুন : ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৮৬
এছাড়া বিএনপিপন্থি তিনজন শিক্ষকও নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন অধ্যাপক নাহরীন ইসলাম খান, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ও অধ্যাপক শামীমা সুলতানা। ড. নাহরীন ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, ভোট প্রদানের সময় আঙুলে ব্যবহার হওয়া কালি অমোচনীয় হওয়া উচিত হলেও তা সহজেই উঠে যাচ্ছে। এছাড়া ভোটের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে হাতে ব্যালট ও কালি দেওয়ার পর ভোট প্রদান করা হয়, কিন্তু ভোটের পর শিক্ষার্থীরা এক্সিট করার সময় বাইরে থেকে কালি লাগানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১,৮৯৭। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৭ জন প্রার্থী। নির্বাচনে অংশ নিয়েছে আটটি প্যানেল, যেখানে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থিত প্যানেল অন্তর্ভুক্ত।
এ ঘটনার পর পুনর্নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠনের দাবি তুলেছেন ভোট বর্জনকারী প্যানেলগুলো। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এখন ফলাফলের পাশাপাশি এই অভিযোগ যাচাই ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ঢাকা ডেস্ক 














