০৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

টিএসসিতে প্রথম দেড়ঘণ্টায় পড়েছে ৭০০ ভোট

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 96

ডাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে টিএসসি কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের লম্বা লাইন। ছবি : সংগৃহীত

ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনে টিএসসি ভোটকেন্দ্রে প্রথম দেড় ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন ৭০ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সময়ে ভোট কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যে বিষয়টি জানা গেছে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে ভোটগ্রহণ শুরু হতে না হতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেককে ভোট শুরুর আগেই লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের পর অনুষ্ঠিত হওয়া এ নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রেকর্ড ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন। অন্যদিকে হল সংসদের ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন, যার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।

ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে। প্রতিটি ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ভোট শেষে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে সিনেট ভবন মিলনায়তনে।

আরও পড়ুন : শিক্ষার্থীদের প্রতি ছাত্রদল সেক্রেটারির যে আহ্বান

ভোট গণনায় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিন। প্রতিটি কেন্দ্রে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে ফলাফল।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। মোবাইল প্যাট্রল, ডগ স্কোয়াড, সোয়াত টিম, ডিবি, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল, সিসিটিভি মনিটরিং সেলসহ বিশেষায়িত টিম মাঠে কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য রাখা হয়েছে ব্রেইল ব্যালট ব্যবস্থাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে ডাকসু বারবারই দেশীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের ৩৮তম নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

টিএসসিতে প্রথম দেড়ঘণ্টায় পড়েছে ৭০০ ভোট

সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনে টিএসসি ভোটকেন্দ্রে প্রথম দেড় ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন ৭০ শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সময়ে ভোট কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যে বিষয়টি জানা গেছে।

সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে ভোটগ্রহণ শুরু হতে না হতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেককে ভোট শুরুর আগেই লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের পর অনুষ্ঠিত হওয়া এ নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রেকর্ড ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন। অন্যদিকে হল সংসদের ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন, যার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।

ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে। প্রতিটি ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ভোট শেষে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে সিনেট ভবন মিলনায়তনে।

আরও পড়ুন : শিক্ষার্থীদের প্রতি ছাত্রদল সেক্রেটারির যে আহ্বান

ভোট গণনায় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিন। প্রতিটি কেন্দ্রে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে ফলাফল।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। মোবাইল প্যাট্রল, ডগ স্কোয়াড, সোয়াত টিম, ডিবি, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল, সিসিটিভি মনিটরিং সেলসহ বিশেষায়িত টিম মাঠে কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য রাখা হয়েছে ব্রেইল ব্যালট ব্যবস্থাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে ডাকসু বারবারই দেশীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের ৩৮তম নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।