০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, দুই শিশু অক্ষত

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 92

বরগুনার সদর উপজেলার দক্ষিণ ইটবারিয়া গ্রামে নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মোল্লা বাড়ি থেকে গলাকাটা অবস্থায় স্ত্রী আকলিমা (২৭) ও ঝুলন্ত অবস্থায় স্বামী স্বপন মোল্লার (৩২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় তাদের দুই কন্যা শিশু—একজনের বয়স ৫ বছর ও অন্যজনের বয়স মাত্র এক বছর—অক্ষত অবস্থায় ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে।

স্বপনের চাচাতো বোন রাজিয়া বেগম জানান, ভোরে নামাজের প্রস্তুতির সময় স্বপনের মেয়ে দৌড়ে এসে জানায়, মা কথা বলছে না, বাবাকেও দেখা যাচ্ছে না। তখন ঘরে ঢুকে তিনি আকলিমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে এবং স্বপনকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখেন।

আরও পড়ুন : ছাদ থেকে লাফিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

স্থানীয়রা জানায়, স্বপন পেশায় একজন স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন। তার বড় ভাই কবির মোল্লার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বপনের তেমন শত্রু ছিল না। তবে কাজকর্ম না করা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। নিহত আকলিমার বাবাও ধারণা করছেন, পারিবারিক কলহ থেকেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

বরগুনা থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নিজ ঘরে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, দুই শিশু অক্ষত

সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরগুনার সদর উপজেলার দক্ষিণ ইটবারিয়া গ্রামে নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে মোল্লা বাড়ি থেকে গলাকাটা অবস্থায় স্ত্রী আকলিমা (২৭) ও ঝুলন্ত অবস্থায় স্বামী স্বপন মোল্লার (৩২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় তাদের দুই কন্যা শিশু—একজনের বয়স ৫ বছর ও অন্যজনের বয়স মাত্র এক বছর—অক্ষত অবস্থায় ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে।

স্বপনের চাচাতো বোন রাজিয়া বেগম জানান, ভোরে নামাজের প্রস্তুতির সময় স্বপনের মেয়ে দৌড়ে এসে জানায়, মা কথা বলছে না, বাবাকেও দেখা যাচ্ছে না। তখন ঘরে ঢুকে তিনি আকলিমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে এবং স্বপনকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখেন।

আরও পড়ুন : ছাদ থেকে লাফিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

স্থানীয়রা জানায়, স্বপন পেশায় একজন স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন। তার বড় ভাই কবির মোল্লার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বপনের তেমন শত্রু ছিল না। তবে কাজকর্ম না করা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। নিহত আকলিমার বাবাও ধারণা করছেন, পারিবারিক কলহ থেকেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

বরগুনা থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’