১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মসজিদের খতিবকে কু‌পি‌য়ে হত্যা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 143

ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়েছেন আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ও সদর উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব আমিনুল হক নোমানী (৪০)। শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উত্তর-পশ্চিম বাপ্তা এলাকায় তার বসতঘরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত নোমানী ওই এলাকার মো. এনামুল হকের ছেলে। জানা যায়, ঘটনার সময় স্ত্রী-সন্তানরা শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন, ফলে তিনি বাড়িতে একা ছিলেন।

আরও পড়ুন : টিকটকের প্রেমে কিশোর–কিশোরীর দেখা, অতঃপর…

স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ তার ঘর থেকে “বাঁচাও, বাঁচাও” চিৎকার শোনা যায়। দ্রুত ছুটে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় নোমানীকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ভোলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শেখ সুফিয়ান রুস্তম বলেন, “তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় আনা হয়। জরুরি বিভাগে নেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি মারা যান। চিকিৎসা শুরু করার সুযোগই মেলেনি।”

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যার পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মসজিদের খতিবকে কু‌পি‌য়ে হত্যা

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়েছেন আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস ও সদর উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব আমিনুল হক নোমানী (৪০)। শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে উত্তর-পশ্চিম বাপ্তা এলাকায় তার বসতঘরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত নোমানী ওই এলাকার মো. এনামুল হকের ছেলে। জানা যায়, ঘটনার সময় স্ত্রী-সন্তানরা শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন, ফলে তিনি বাড়িতে একা ছিলেন।

আরও পড়ুন : টিকটকের প্রেমে কিশোর–কিশোরীর দেখা, অতঃপর…

স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ তার ঘর থেকে “বাঁচাও, বাঁচাও” চিৎকার শোনা যায়। দ্রুত ছুটে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় নোমানীকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ভোলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শেখ সুফিয়ান রুস্তম বলেন, “তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় আনা হয়। জরুরি বিভাগে নেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি মারা যান। চিকিৎসা শুরু করার সুযোগই মেলেনি।”

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যার পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।