রাজনৈতিক অস্থিরতায় টালমাটাল থাইল্যান্ডে শেষ পর্যন্ত নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হলেন ভূমজাইথাই পার্টির প্রেসিডেন্ট আনুতিন চার্নভিরাকুল। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন তিনি।
থাই পার্লামেন্টের ৪৯২ আসনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ২৪৭ ভোট। ৫৮ বছর বয়সী আনুতিন পান ৩১১ জন এমপির সমর্থন। এতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী পিউ থাই পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা চিকাসেম নিতিসিরিকে পরাজিত করেন।
আরও পড়ুন : বিতর্কিত ফোনকলের জেরে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত
এর আগে, মাত্র এক বছরের মাথায় পদচ্যুত হন দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ২৯ আগস্ট থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালতের রায়ে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে পায়েতংতার্ন গত বছর নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। তখন তার নেতৃত্বাধীন পিউ থাই পার্টির সঙ্গে জোট করেছিল আনুতিনের ভূমজাইথাই পার্টি।
তবে গত জুনে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে পায়েতংতার্নের একটি ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। ওই ঘটনার পরই জোট থেকে সরে দাঁড়ায় আনুতিনের দল।
শুক্রবারের ভোটে আনুতিনকে সমর্থন দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল পিপলস পার্টিও। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলটির এক এমপি জানান, “আনুতিন আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে চার মাসের মধ্যেই পার্লামেন্ট ভেঙে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা হবে। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তাকে সমর্থন দিয়েছি। তবে তিনি কথা না রাখলে আমাদের সমর্থন প্রত্যাহার করা হবে।”
ঢাকা ডেস্ক 









