বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় ক্যাম্পাসে এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে আবাসিক হল খালি করার নির্দেশ দেয়। ভোর থেকেই শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে শুরু করলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে এখনো হলে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ভেটেরিনারি ও পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিনের দাবি কম্বাইন্ড ডিগ্রি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একাডেমিক কাউন্সিলে পৃথক ডিগ্রি চালুর সিদ্ধান্ত জানানো হলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে তালা দিয়ে ভিসিসহ দুই শতাধিক শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
আরও পড়ুন : আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫০
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করলেও কোনো সমাধান আসেনি। একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বহিরাগত একদল যুবক লাঠিসোটা নিয়ে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা চালায়। এতে সাংবাদিকসহ বহু শিক্ষার্থী আহত হন।
এ ঘটনায় পুরো ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের উপস্থিতিতে বহিরাগতদের এমন হামলা “মর্মান্তিক ও লজ্জাজনক।” তাদের দাবি, হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ এবং উপাচার্যের প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা।
এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বলছেন, “শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মানা না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হবে।”
ঢাকা ডেস্ক 









