চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দেড় হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার। এর মধ্যে শতাধিকের অবস্থা গুরুতর।
রোববার (৩১ আগস্ট) দিনভর সংঘর্ষে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১১টি ক্যাম্পাস বাসে করে গুরুতরদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছেন। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন অন্তত দুজন—ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রাজিউর রহমান রাজু ও নাইমুল ইসলাম।
আরও পড়ুন : চবিতে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া সেই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানা গেল
চবি মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা ইয়াসমিন জানান, ‘শনিবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১৫০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত ১০০ জন এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ১০ জন। বাকিরা চিকিৎসা নিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে গেছেন।’
সংঘর্ষ চলাকালে রাজিউর রহমান রাজুকে স্থানীয়রা ছাদ থেকে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে নাইমুল ইসলাম দুপুরে ফের শুরু হওয়া সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন। উভয়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দৃশ্যমান না থাকলেও বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যৌথবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ততক্ষণে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এদিকে দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুমিন।
ঢাকা ডেস্ক 









