০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চবিতে সংঘর্ষের পরও মামলা হয়নি, গ্রেপ্তার শূন্য

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 110

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায়। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, কাউকেও গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। সোমবার দুপুর পর্যন্ত থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

চবির ২ নম্বর গেটসংলগ্ন বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ এবং পাশের জোবরা গ্রামে পুরুষশূন্য অবস্থা তৈরি হয়েছে। ভয়ে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। অপরদিকে ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছেন উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরাও। সীমিত আকারে চালু রয়েছে কেবল নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট।

এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ রাত ১২টা পর্যন্ত বহাল থাকবে। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথবাহিনীও মাঠে রয়েছে।

আরও পড়ুন : চবিতে সংঘর্ষে আহত ১৫০০, গুরুতরদের হাসপাতালে নেওয়া হয় ১১ বাসে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষে প্রোভিসি, প্রক্টরসহ অন্তত দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তদন্তে গতকাল রাতে ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দীন বলেন,“আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। কিন্তু বিভিন্ন পক্ষের উত্তেজনার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সহায়তায় অবশেষে সন্ধ্যার আগে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয়।”

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার অভিযোগ করেছেন, সংঘর্ষের শুরুতে হাটহাজারী থানা থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তার দাবি, চাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই এ সংঘর্ষ ঘটেছে, যার পেছনে ভিন্ন কোনো কারণও থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে এক ছাত্রী ভাড়া বাসায় ঢোকার সময় দারোয়ানের সঙ্গে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর রোববার দিনভর শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চবিতে সংঘর্ষের পরও মামলা হয়নি, গ্রেপ্তার শূন্য

সর্বশেষ আপডেট : ০২:০০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায়। এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, কাউকেও গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। সোমবার দুপুর পর্যন্ত থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।

চবির ২ নম্বর গেটসংলগ্ন বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ এবং পাশের জোবরা গ্রামে পুরুষশূন্য অবস্থা তৈরি হয়েছে। ভয়ে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। অপরদিকে ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছেন উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরাও। সীমিত আকারে চালু রয়েছে কেবল নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানপাট।

এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ রাত ১২টা পর্যন্ত বহাল থাকবে। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথবাহিনীও মাঠে রয়েছে।

আরও পড়ুন : চবিতে সংঘর্ষে আহত ১৫০০, গুরুতরদের হাসপাতালে নেওয়া হয় ১১ বাসে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সংঘর্ষে প্রোভিসি, প্রক্টরসহ অন্তত দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তদন্তে গতকাল রাতে ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দীন বলেন,“আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। কিন্তু বিভিন্ন পক্ষের উত্তেজনার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের সহায়তায় অবশেষে সন্ধ্যার আগে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয়।”

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার অভিযোগ করেছেন, সংঘর্ষের শুরুতে হাটহাজারী থানা থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তার দাবি, চাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই এ সংঘর্ষ ঘটেছে, যার পেছনে ভিন্ন কোনো কারণও থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে এক ছাত্রী ভাড়া বাসায় ঢোকার সময় দারোয়ানের সঙ্গে কথা কাটাকাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর রোববার দিনভর শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।