০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব-পর্দা নিয়ে আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • 86

ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। পুরোনো ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব ও পর্দা নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রবিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, দুই দিন পরপর হিজাব-পর্দা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে, এর স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন। ড্রেসকোডের খোঁড়া অজুহাত তুলে কারো ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা সংবিধান পরিপন্থী কাজ।

আরও পড়ুন : চবিতে ছাদ থেকে দেওয়া সেই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানা গেল

তিনি আরও বলেন, পাগড়ি শিখদের ধর্মীয় প্রতীক। পাগড়ি পরে তারা যদি পৃথিবীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে পারে, এমনকি বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরি করতে পারে, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে হিজাব-নিকাব পরে মেয়েরা কেন পড়াশোনা করতে পারবে না!

এ সময় রাষ্ট্রের যথাযথ কর্তৃপক্ষের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা হোক। যেন দুই দিন পরপর কোনো শিক্ষক এই বিষয়ে অস্থিরতা তৈরির দুঃসাহস দেখাতে না পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব-পর্দা নিয়ে আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস

সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব ও পর্দা নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আলোচক ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

রবিবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, দুই দিন পরপর হিজাব-পর্দা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে, এর স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন। ড্রেসকোডের খোঁড়া অজুহাত তুলে কারো ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা সংবিধান পরিপন্থী কাজ।

আরও পড়ুন : চবিতে ছাদ থেকে দেওয়া সেই শিক্ষার্থীর পরিচয় জানা গেল

তিনি আরও বলেন, পাগড়ি শিখদের ধর্মীয় প্রতীক। পাগড়ি পরে তারা যদি পৃথিবীর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে পারে, এমনকি বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরি করতে পারে, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে হিজাব-নিকাব পরে মেয়েরা কেন পড়াশোনা করতে পারবে না!

এ সময় রাষ্ট্রের যথাযথ কর্তৃপক্ষের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা হোক। যেন দুই দিন পরপর কোনো শিক্ষক এই বিষয়ে অস্থিরতা তৈরির দুঃসাহস দেখাতে না পারে।