০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নারীর ছদ্মবেশে টিকটক ভিডিও, গ্রেপ্তারের পর জানা গেল পুরুষ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • 91

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা আর অর্থ উপার্জনের নেশায় এবার ঘটেছে এক অদ্ভুত কাণ্ড। টিকটকে ‘ইয়াসমিন’ নামে আবেদনময়ী তরুণীর চরিত্রে ভিডিও বানিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করতেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর প্রকাশ পেয়েছে, তিনি আসলে ১৮ বছর বয়সী এক যুবক।

মিশরের এই টিকটকারের আসল নাম আবদুল রহমান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার পরিচালিত অ্যাকাউন্ট থেকে অনুপযুক্ত ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে জিজ্ঞাসাবাদে সত্য প্রকাশ পায়।

আবদুল রহমান স্বীকার করেছেন, মূলত ফলোয়ার, ভিউ এবং অর্থ আয়ের উদ্দেশ্যে তিনি নারীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। এছাড়া বিজ্ঞাপনদাতাদের নজরে আসার জন্যও তিনি এমন অভিনব পদ্ধতি বেছে নেন।

আরও পড়ুন : ঢাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী আলাউদ্দিনের বাড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, অতঃপর…

তদন্তকারীরা জানান, আবদুল রহমানের বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ ও নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ সময় তার ফোন ও অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোও জব্দ করা হয়। চারদিন হেফাজতে থাকার পর পাঁচ হাজার মিশরীয় পাউন্ডের বিনিময়ে জামিন পান তিনি।

এ ঘটনার পর এক প্রতিবেশী স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা সবসময় তাকে একজন সাধারণ যুবক হিসেবেই চিনতাম। তার এমন কর্মকাণ্ডের কথা জানতাম না।”

ঘটনাটি সামনে আসতেই অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ভিউ ও অর্থের লোভে কতদূর যেতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নারীর ছদ্মবেশে টিকটক ভিডিও, গ্রেপ্তারের পর জানা গেল পুরুষ

সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা আর অর্থ উপার্জনের নেশায় এবার ঘটেছে এক অদ্ভুত কাণ্ড। টিকটকে ‘ইয়াসমিন’ নামে আবেদনময়ী তরুণীর চরিত্রে ভিডিও বানিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করতেন এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর প্রকাশ পেয়েছে, তিনি আসলে ১৮ বছর বয়সী এক যুবক।

মিশরের এই টিকটকারের আসল নাম আবদুল রহমান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তার পরিচালিত অ্যাকাউন্ট থেকে অনুপযুক্ত ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে জিজ্ঞাসাবাদে সত্য প্রকাশ পায়।

আবদুল রহমান স্বীকার করেছেন, মূলত ফলোয়ার, ভিউ এবং অর্থ আয়ের উদ্দেশ্যে তিনি নারীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। এছাড়া বিজ্ঞাপনদাতাদের নজরে আসার জন্যও তিনি এমন অভিনব পদ্ধতি বেছে নেন।

আরও পড়ুন : ঢাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী আলাউদ্দিনের বাড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, অতঃপর…

তদন্তকারীরা জানান, আবদুল রহমানের বিরুদ্ধে ছদ্মবেশ ধারণ ও নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ সময় তার ফোন ও অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোও জব্দ করা হয়। চারদিন হেফাজতে থাকার পর পাঁচ হাজার মিশরীয় পাউন্ডের বিনিময়ে জামিন পান তিনি।

এ ঘটনার পর এক প্রতিবেশী স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা সবসময় তাকে একজন সাধারণ যুবক হিসেবেই চিনতাম। তার এমন কর্মকাণ্ডের কথা জানতাম না।”

ঘটনাটি সামনে আসতেই অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা ভিউ ও অর্থের লোভে কতদূর যেতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।