০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নাক ডাকা বন্ধ করায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • 80

ছবি : সংগৃহীত

অনেকেরই রাতে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস রয়েছে। যেটা পাশে শুয়ে থাকা মানুষটার জন্য বড় বিরক্তির কারণ। আর এজন্য অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়, অন্যের হাসি তামাশার কারণ হতে হয়।

তবে নাক ডাকা কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। আসুন, জেনে নেই সরল ও বাস্তবপন্থি উপায়ে এটি কমানো যায়।

মানুষ কেন নাক ডাকে ?

ঘুমের সময় গলায় বা নাকের পেছনে থাকা নরম পেশি ও টিস্যু ঢিলে হয়ে পড়ে, যা শ্বাসনালির পথ কমিয়ে দেয়— তাতে বাতাস যাত্রাপথে ঝাঁকুনি খেয়ে নড়তে থাকে, আর সেই শব্দই নাক ডাকা।

নাক ডাকার কিছু কারণ-

– অতিরিক্ত ওজন থাকলে, গলার পেছনের চর্বি শ্বাসনালির ফাঁকা জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়।

– মদপান ও ধূমপান গলার পেশিগুলোকে আলগা করে দেয় অথবা গলার আস্তরণের অবস্থা খারাপ করে—ফলে শ্বাসনালি ভেতর থেকে সংকুচিত হয়।

– পলিপ, সাইনাস বা অ্যালার্জি—নাকের ভেতর রূপান্তরণ ঘটিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

– ঘুমের অবস্থান—পিঠের ওপর শোলে জিহ্বা ফিরে গলার পেছনে পড়ে, বাধা সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন : যেসব জেলায় আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আরও পড়ুন : ঘুমাতে যাওয়ার কত আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত জেনে নিন

– দীর্ঘদিন ঘুম কম হলে গলার পেশি খুব ঢিলা হয়ে পড়ে, যা নাক ডাকাকে বাড়িয়ে দেয়।

নাক ডাকা কমানোর কিছু সহজ উপায়-

– শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন

– ঘুমের ভঙ্গি বদলান (বাঁ বা ডান পাশ হয়ে ঘুমান)

– ভালো ঘুমের অভ্যাস (Sleep Hygiene) নিশ্চিত করুন

– ঘুমের আগে অ্যালকোহল ও সিডেটিভ এড়ান

– নাক পরিষ্কার ও নাসা খোলা রাখুন

– পর্যাপ্ত পানি পান ও হাইড্রেশন বজায় রাখুন

– মাথা একটু উঁচু করে শুতে চেষ্টা করুন

নাক ডাকা—যদি এটি মাঝে মাঝে হয়, তা ভয় করার কিছু নয়। তবে যদি নাক ডাকার সঙ্গে গভীর শ্বাস বন্ধ, দিনজুড়ে অবসাদ, মাথাব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা থাকে—তবে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া উচিত।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নাক ডাকা বন্ধ করায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

অনেকেরই রাতে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস রয়েছে। যেটা পাশে শুয়ে থাকা মানুষটার জন্য বড় বিরক্তির কারণ। আর এজন্য অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়, অন্যের হাসি তামাশার কারণ হতে হয়।

তবে নাক ডাকা কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। আসুন, জেনে নেই সরল ও বাস্তবপন্থি উপায়ে এটি কমানো যায়।

মানুষ কেন নাক ডাকে ?

ঘুমের সময় গলায় বা নাকের পেছনে থাকা নরম পেশি ও টিস্যু ঢিলে হয়ে পড়ে, যা শ্বাসনালির পথ কমিয়ে দেয়— তাতে বাতাস যাত্রাপথে ঝাঁকুনি খেয়ে নড়তে থাকে, আর সেই শব্দই নাক ডাকা।

নাক ডাকার কিছু কারণ-

– অতিরিক্ত ওজন থাকলে, গলার পেছনের চর্বি শ্বাসনালির ফাঁকা জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়।

– মদপান ও ধূমপান গলার পেশিগুলোকে আলগা করে দেয় অথবা গলার আস্তরণের অবস্থা খারাপ করে—ফলে শ্বাসনালি ভেতর থেকে সংকুচিত হয়।

– পলিপ, সাইনাস বা অ্যালার্জি—নাকের ভেতর রূপান্তরণ ঘটিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

– ঘুমের অবস্থান—পিঠের ওপর শোলে জিহ্বা ফিরে গলার পেছনে পড়ে, বাধা সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন : যেসব জেলায় আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আরও পড়ুন : ঘুমাতে যাওয়ার কত আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত জেনে নিন

– দীর্ঘদিন ঘুম কম হলে গলার পেশি খুব ঢিলা হয়ে পড়ে, যা নাক ডাকাকে বাড়িয়ে দেয়।

নাক ডাকা কমানোর কিছু সহজ উপায়-

– শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন

– ঘুমের ভঙ্গি বদলান (বাঁ বা ডান পাশ হয়ে ঘুমান)

– ভালো ঘুমের অভ্যাস (Sleep Hygiene) নিশ্চিত করুন

– ঘুমের আগে অ্যালকোহল ও সিডেটিভ এড়ান

– নাক পরিষ্কার ও নাসা খোলা রাখুন

– পর্যাপ্ত পানি পান ও হাইড্রেশন বজায় রাখুন

– মাথা একটু উঁচু করে শুতে চেষ্টা করুন

নাক ডাকা—যদি এটি মাঝে মাঝে হয়, তা ভয় করার কিছু নয়। তবে যদি নাক ডাকার সঙ্গে গভীর শ্বাস বন্ধ, দিনজুড়ে অবসাদ, মাথাব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা থাকে—তবে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া উচিত।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে