০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নুরের ওপর হামলা নিয়ে অন্তবর্তী সরকারের বিবৃতি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • 94

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার জানায়, এই হামলার সাথে জড়িত কেউ কোনোভাবেই রেহাই পাবে না এবং তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি শুধুমাত্র নুরুল হক নূরের ওপর হামলা নয়, বরং একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দেশের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে আঘাত। জনগণের প্রতি যে আস্থা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে আমরা লড়াই করেছি, সেটি এই হামলায় এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।’

সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির প্রভাব বা পদমর্যাদা কোনোক্রমেই বিচারিক প্রক্রিয়ার বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ‘স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে,’ জানিয়েছে সরকার।

আরও পড়ুন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চান রাশেদ

সরকার আরও জানিয়েছে, নুরুল হক নূর এবং তার দলের আহত সদস্যদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সবার সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া, সরকার নুরুল হক নূরের ও তার দলের আহত সদস্যদের প্রতি পুরো জাতির সংহতি ও প্রার্থনা জানায়।

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক নূর এবং তার দলের অবদান জাতির ইতিহাসে অম্লান থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। নুরুল হক নূর একজন সাহসী ছাত্রনেতা হিসেবে তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন এবং গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।

এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নির্যাতন করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, নুরুল হক নূরের ভূমিকা একটি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নুরের ওপর হামলা নিয়ে অন্তবর্তী সরকারের বিবৃতি

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার জানায়, এই হামলার সাথে জড়িত কেউ কোনোভাবেই রেহাই পাবে না এবং তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এটি শুধুমাত্র নুরুল হক নূরের ওপর হামলা নয়, বরং একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দেশের ঐতিহাসিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে আঘাত। জনগণের প্রতি যে আস্থা, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে আমরা লড়াই করেছি, সেটি এই হামলায় এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।’

সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির প্রভাব বা পদমর্যাদা কোনোক্রমেই বিচারিক প্রক্রিয়ার বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ‘স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে,’ জানিয়েছে সরকার।

আরও পড়ুন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চান রাশেদ

সরকার আরও জানিয়েছে, নুরুল হক নূর এবং তার দলের আহত সদস্যদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সবার সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

এছাড়া, সরকার নুরুল হক নূরের ও তার দলের আহত সদস্যদের প্রতি পুরো জাতির সংহতি ও প্রার্থনা জানায়।

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক নূর এবং তার দলের অবদান জাতির ইতিহাসে অম্লান থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। নুরুল হক নূর একজন সাহসী ছাত্রনেতা হিসেবে তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন এবং গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।

এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নির্যাতন করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, নুরুল হক নূরের ভূমিকা একটি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।