কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১১টি দানবাক্স শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে একযোগে খোলা শুরু হয়। যা ঘিরে কিশোরগঞ্জসহ সারা দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, দানের অঙ্ক ১০ কোটির মাইলফলক ছুঁতে পারে।
গণনার কাজে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ৪০০ জন, যাদের মধ্যে আছেন মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং ব্যাংক কর্মকর্তারা। পুরো কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ব্যাংক কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত থাকবেন।
দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হয় মসজিদের উন্নয়ন, গরিব-অসহায়দের সহায়তা, মাদরাসা ও এতিমখানা পরিচালনা এবং বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে। এছাড়া ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’ নির্মাণেও অর্থ ব্যয় হবে। আন্তর্জাতিক মানের এই প্রকল্পে একসঙ্গে ৬০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন : নাক ডাকা বন্ধ করায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
এর আগে গত, ১২ এপ্রিল দানবাক্স খোলা হলে ২৮ বস্তা টাকা ও বিপুল স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা সংগ্রহ হয়।
জনশ্রুতি রয়েছে, আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে ‘জিল কদর পাগলা’র নাম অনুসারে মসজিদের নাম রাখা হয় ‘পাগলা মসজিদ’। শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি দেশের ধর্মীয় ঐতিহ্য, সমাজকল্যাণ ও মানুষের বিশ্বাসের এক অনন্য প্রতীক।
ঢাকা ডেস্ক 









