আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ একাধিক নতুন চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এক কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “আগে বহু নির্বাচন হয়েছে, তবে এখন নতুন ও অজানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এআই এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবসহ এমন কিছু চ্যালেঞ্জ আসছে, যা আমরা আগে জানতাম না। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
তিনি আরও জানান, ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য (মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন) ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন বিশেষ সেল গঠন করবে।
আরও পড়ুন : ‘মঞ্চ ৭১’-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দিল ‘মঞ্চ ২৪’
সিইসি নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নৈতিকতা যেন অটুট থাকে এবং কেউ যেন আইনকানুনের বাইরে গিয়ে কাজ না করেন।”
তিনি মাঠপর্যায়ে যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “যোগাযোগ ভেঙে পড়া মানেই সবকিছু ভেঙে পড়া। তাই সঠিক বার্তা সঠিকভাবে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি।”
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, “স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা প্রশিক্ষণে যে অর্থ ব্যয় হয়, সেটিকে খরচ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। কারণ একটি ভুল বার্তা কয়েক ধাপ পরে বিকৃত হয়ে পৌঁছায়—যা নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”
এ সময় তিনি প্রশিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শুধু আইনকানুন শেখানো নয়, বরং ভুয়া তথ্য প্রতিরোধের দায়িত্বও নিতে হবে এবং এ বার্তা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌঁছে দিতে হবে।”
ঢাকা ডেস্ক 









